৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৬০ - দুব্বা ও মুযাফফাতে নাবীয নিষেধ
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
দুব্বা ও মুযাফফাতে নাবীয বানানো নিষেধ
সহীহ মুসলিম : ৫০৬০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৬০
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ أَنْ يُنْبَذَ فِيهِ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসুলুল্লাহ্ (ﷺ) দুব্বা ও মুযাফ্ফাতে নাবীয প্রস্তুত করতে বারণ করেছেন।
[১](১) আলকাতরা মাখানো এক প্রকার পাত্র যাতে মদ প্রস্তুত করা হত।(২) লাউয়ের শুকনো খোলা-এর বাসন যাতে মদ প্রস্তুত করা হত।(৩) সবুজ রং-এর কলসী যাতে মদ প্রস্তুত করা হতো।(৪) খেজুর বৃক্ষের গোড়ালি দ্বারা প্রস্তুত বিশেষ পাত্র।ই.ফা. ৪৯৯৮, ই.সে ৫০০৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুব্বা ও মুযাফফাতে নাবীয প্রস্তুত করতে বারণ করেছেন। এখানে আলোচনার কেন্দ্র ফলের মিশ্রণ নয়, বরং পাত্র। দুব্বা ও মুযাফফাত—এই দুটি পাত্রের নাম সরাসরি এসেছে। তাই হাদিসটির শিক্ষা হলো, নাবীয বানানোর ক্ষেত্রে শুধু উপকরণ নয়, পাত্র সম্পর্কেও নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ মানা দরকার। বর্ণনায় অন্য পাত্রের নাম নেই, তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত নাম যোগ করা ঠিক নয়। যারা নাবীয কোন পাত্রে বানানো যাবে না জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি উত্তর দেয়। পানীয় প্রস্তুতেও সুন্নাহর সীমা জানা এবং তা মানা মুসলিম জীবনের একটি বাস্তব শিক্ষা। এতে দৈনন্দিন কাজেও আনুগত্য শেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুব্বা পাত্রে নাবীয বানাতে নিষেধ করা হয়েছে।
- মুযাফফাত পাত্রেও নাবীয প্রস্তুত করতে বারণ এসেছে।
- নাবীযের ক্ষেত্রে উপকরণের পাশাপাশি পাত্র সম্পর্কেও সতর্ক থাকা দরকার।
