৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৬২ - হানতামসহ পাত্রে নাবীয সতর্কতা
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
দুব্বা, মুযাফ্ফাত ও হানতাম সম্পর্কে নাবীয সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৫০৬২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৬২
قَالَ وَأَخْبَرَهُ أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ تَنْتَبِذُوا فِي الدُّبَّاءِ وَلاَ فِي الْمُزَفَّتِ " . ثُمَّ يَقُولُ أَبُو هُرَيْرَةَ وَاجْتَنِبُوا الْحَنَاتِمَ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবু সালামাহ্ (রহঃ)-ও তাঁকে অবহিত করেছেন, তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রসুলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা দুব্বা ও মুযাফ্ফাতে নাবীয বানিও না। অতঃপর আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, হান্তাম ব্যবহার করা থেকেও তোমরা সরে (বেঁচে) থাকো।
ই.ফা. ৪৯৯৯, ই.সে ৫০০৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমরা দুব্বা ও মুযাফ্ফাতে নাবীয বানিও না। এরপর আবু হুরায়রা (রাঃ) হানতাম ব্যবহার করা থেকেও সরে থাকতে বলেছেন। তাই এখানে দুই স্তরের কথা আছে: নবী صلى الله عليه وسلم-এর সরাসরি নিষেধ দুব্বা ও মুযাফ্ফাত সম্পর্কে, আর আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর অতিরিক্ত সতর্কতা হানতাম সম্পর্কে। ব্যাখ্যা করার সময় এই পার্থক্য রাখা দরকার। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, নাবীযের পাত্র নিয়ে সতর্ক থাকা এবং বর্ণনায় যেভাবে কথা এসেছে সেভাবে বোঝা। যারা “হানতাম নাবীয” বা “দুব্বা মুযাফফাত” খোঁজেন, তারা এই হাদিসে পাত্রভিত্তিক নিষেধের সরল দিকটি দেখতে পাবেন। এখানে ফলের মিশ্রণের কথা নয়, পাত্রের কথা। তাই বিষয়টি আলাদা করে বুঝতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুব্বা ও মুযাফ্ফাতে নাবীয বানাতে নিষেধ করেছেন।
- আবু হুরায়রা (রাঃ) হানতাম থেকেও সরে থাকতে বলেছেন।
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর কথা ও সাহাবীর সতর্কতা আলাদা করে বোঝা দরকার।
