৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৬১ - পাত্র বাছাইয়ে নাবীয সতর্কতা
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
নাবীযের পাত্র বাছাইয়ে দুব্বা-মুযাফফাত নিষেধ
সহীহ মুসলিম : ৫০৬১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৬১
وَحَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ أَنْ يُنْتَبَذَ فِيهِ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসুলুল্লাহ্ (ﷺ) দুব্বা ও মুযাফ্ফাতে নাবীয বানাতে বারণ করেছেন।
ই.ফা. ৪৯৯৯, ই.সে ৫০০৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে এসেছে এবং এতে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুব্বা ও মুযাফফাতে নাবীয বানাতে বারণ করেছেন। আগের বর্ণনার মতোই এখানে নিষেধের বিষয় হলো পাত্র। হাদিসে ফলের মিশ্রণ, কিশমিশ বা খেজুরের কথা নেই; তাই ব্যাখ্যায় সেসব টেনে আনা উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো, নাবীয প্রস্তুতের পাত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ মানতে হবে। “দুব্বা মুযাফফাত নাবীয” বিষয়ে যারা খোঁজ করেন, তাদের জন্য এই বর্ণনা ছোট হলেও গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখায়, একই নির্দেশ ভিন্ন সনদে বর্ণিত হতে পারে। পানীয় বানানোর মতো সাধারণ কাজেও রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ অনুসরণ করা ঈমানদারের সুন্দর অভ্যাস। তাই পাত্রের নামগুলো ঠিকভাবে জানা দরকার। এতে ভুল কমে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুব্বা ও মুযাফফাতে নাবীয বানাতে বারণ করা হয়েছে।
- এই বর্ণনায় নিষেধের বিষয় পাত্র, ফলের মিশ্রণ নয়।
- একই নির্দেশ ভিন্ন সূত্রে আসা হাদিসের গুরুত্ব বোঝায়।
