৪০/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৫৫০ - ‘আলাইকুম’ বলার বর্ণনা
আহলে কিতাব (ইয়াহূদী-নাসারা) -কে আগে সালাম করার নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের সালামের উত্তর দেয়ার বিবরণ
কটূক্তির জবাবে ‘আলাইকুম’ বলার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৫৫৫০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৫৫০
حَدَّثَنَاهُ حَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، جَمِيعًا عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، بْنِ سَعْدٍ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، كِلاَهُمَا عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ. وَفِي حَدِيثِهِمَا جَمِيعًا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " قَدْ قُلْتُ عَلَيْكُمْ " . وَلَمْ يَذْكُرُوا الْوَاوَ.
যুহ্রী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
যুহ্রী (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ দু’জনের বর্ণিত হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বললেন, আমি তো বলেছি- ‘আলাইকুম’ (তোমাদের উপরে) তাঁরা ‘وَ ‘ অব্যয়টির উল্লেখ করেননি।
ই.ফা. ৫৪৭২, ই.সে. ৫৪৯৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৫৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের ঘটনার আরেকটি সূত্র এসেছে। এখানে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছিলেন, ‘আমি তো বলেছি—আলাইকুম।’ এই বর্ণনায় ‘ওয়া’ অব্যয়টির উল্লেখ নেই। অর্থের দিক থেকে বিষয়টি একই মর্মের—যারা মন্দ অর্থে সম্ভাষণ করেছিল, তাদের জবাব সংক্ষিপ্তভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই হাদিস আমাদের শেখায়, সালামের মতো শোনালেও কোনো কথার ভেতরে যদি কটূক্তি থাকে, তাহলে জবাব দেওয়ার সময় সতর্কতা দরকার। ‘আলাইকুম’ বা ‘ওয়া আলাইকুম’ বলার উদ্দেশ্য হলো কথা বাড়িয়ে উত্তেজনা তৈরি না করা। সালামের জবাব, আহলে কিতাবের সম্ভাষণ এবং নববী ভাষার সংযম—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভাষার ছোট পার্থক্যও হাদিস বর্ণনায় সংরক্ষিত হয়েছে।
- কটূক্তির জবাব সংক্ষিপ্ত রাখা নববী আদবের অংশ।
- অন্যের মন্দ কথায় নিজের ভাষা খারাপ করা উচিত নয়।
- ঘটনার মর্ম বুঝে জবাব দিতে হয়।
