৪/২৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৮৫৫ - সালাতে স্থিরতা ও সারিবদ্ধতা
সলাতরত অবস্থায় শান্ত থাকার নির্দেশ, হাত দিয়ে ইশারা করা এবং সালামের সময় হাত উত্তোলন করা নিষেধ, প্রথম লাইন পূর্ণ করা এবং একে অপরের সাথে মিলিত হয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ
সালাতে নড়াচড়া কমানো ও কাতার ঠিক রাখার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৮৫৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৮৫৫
وَحَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، قَالاَ جَمِيعًا حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ.
আ’মাশ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ সানাদেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
ই.ফা. ৮৫১, ই.সে. ৮৬৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৮৫৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। মূল বিষয় হলো সালাতে স্থির থাকা এবং কাতারবন্দী হওয়া। আগের বর্ণনায় দেখা যায়, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সালাতে হাত উঠানো বা অযথা নড়াচড়া পছন্দ করেননি এবং ধীরস্থিরভাবে সালাত আদায় করতে বলেছেন। একইভাবে তিনি বিচ্ছিন্নভাবে দাঁড়ানোর বদলে কাতার বাঁধার শিক্ষা দিয়েছেন। ফেরেশতারা যেমন প্রথম লাইন পূর্ণ করে এবং পরস্পরের সঙ্গে মিলে দাঁড়ায়, মুসলিমদেরও জামাতে সেই শৃঙ্খলা শেখানো হয়েছে। এই হাদিস আমাদের বুঝায়, সালাত শুধু ব্যক্তিগত আমল নয়; জামাতে পড়লে সেখানে মিল, শৃঙ্খলা ও শান্তভাব বজায় রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে ধীরস্থিরতা বজায় রাখা দরকার।
- জামাতে কাতার ঠিক রাখা সালাতের আদবের অংশ।
- অযথা হাত নাড়ানো বা বেশি নড়াচড়া করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- প্রথম কাতার পূর্ণ করা এবং পাশাপাশি দাঁড়ানো ভালো শিক্ষা।
