০/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪ - ঈমান ও নাবীয পাত্রের নিষেধ
য‘ঈফ রাবীর হাদীস বর্ণনা করা নিষিদ্ধ এবং হাদীস সংগ্রহের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা
আবদুল কায়সের শিক্ষা: ঈমান, ফরজ আমল ও নাবীয পাত্রের নিষেধ
সহীহ মুসলিম : ২৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪
حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ لَمَّا أُحْدِثُوا تِلْكَ الْأَشْيَاءَ بَعْدَ عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ عَلِيٍّ قَاتَلَهُمُ اللهُ أَيَّ عِلْمٍ أَفْسَدُوا.
আবূ ইসহাক (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আলী (রাযিঃ)-এর পরে লোকেরা যখন তাঁর নামে নতুন নতুন বিষয়ে বর্ণনা দেয়া শুরু করল, তখন তাঁর জনৈক ছাত্র আক্ষেপের সাথে বললেন, আল্লাহ এদের ধ্বংস করুন! কী মূল্যবান ‘ইল্মকে এরা বিকৃত করে দিল! [5]
[৫] ‘আলী (রাযিঃ)-এর নামে তারা অর্থাৎ শী‘আ সম্প্রদায়ের লোকেরা নানা মনগড়া কথা চাপিয়ে দিয়েছিল। এতে তাঁর আসল ‘ইল্মের ভাণ্ডার বিকৃত হয়ে যায়।
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর সামনে দোভাষীর কাজের কথা এসেছে। এক মহিলা মাটির কলসিতে নাবীয তৈরির বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি আবদুল কায়স প্রতিনিধি দলের ঘটনার কথা বলেন। তারা দূর থেকে এসে এমন পরিষ্কার নির্দেশনা চেয়েছিল, যাতে তারা নিজেদের লোকদের জানাতে পারে এবং আমল করতে পারে। নবী (صلى الله عليه وسلم) তাদের এক আল্লাহর প্রতি ঈমানের ব্যাখ্যা দেন: শাহাদাহ, সালাত কায়েম, যাকাত দেওয়া, রমজানের সিয়াম পালন এবং গনীমতের খুমুস আদায়। এরপর তিনি দুব্বা, হানতাম, মুযাফফাত এবং নাকীর বা মুকাইয়্যার জাতীয় পাত্র থেকে বিরত থাকতে বলেন। শেষে নির্দেশ দেওয়া হয়, এসব বিধান সংরক্ষণ করো এবং যারা আসেনি তাদের জানিয়ে দাও।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এক আল্লাহর ঈমানের সাথে আমলও যুক্তভাবে শেখানো হয়েছে।
- শাহাদাহ, সালাত, যাকাত ও সাওম গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ।
- নির্দিষ্ট পাত্রে নাবীয তৈরির বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
- শেখা জ্ঞান অনুপস্থিত লোকদের কাছে পৌঁছানো দরকার।
