০/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫ - উদ্ধৃতি যাচাইয়ের নিয়ম
য‘ঈফ রাবীর হাদীস বর্ণনা করা নিষিদ্ধ এবং হাদীস সংগ্রহের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা
উদ্ধৃতি যাচাই: নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া গ্রহণ নয়
সহীহ মুসলিম : ২৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৫
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ، يَعْنِي ابْنَ عَيَّاشٍ قَالَ سَمِعْتُ الْمُغِيرَةَ، يَقُولُ لَمْ يَكُنْ يَصْدُقُ عَلَى عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ فِي الْحَدِيثِ عَنْهُ إِلَّا مَنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ.
মুগীরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাযিঃ)-এর ছাত্রদের সত্যায়ন ব্যতীত যারা ‘আলী (রাযিঃ)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে হাদীস বর্ণনা করতেন, তাঁদের সে বর্ণনা সত্য বলে গৃহীত হতো না।
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, যারা ‘আলী (রাযিঃ)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে হাদীস বর্ণনা করতেন, তাঁদের বর্ণনা ইবনু মাস‘উদ (রাযিঃ)-এর ছাত্রদের সত্যায়ন ছাড়া গ্রহণ করা হতো না। এখানে মূল শিক্ষা হলো, দীনী বর্ণনায় শুধু নাম ব্যবহার করাই যথেষ্ট নয়; বরং সূত্রের নির্ভরযোগ্যতাও দেখা দরকার। “উদ্ধৃতি যাচাই”, “হাদীসের সত্যায়ন” এবং “নির্ভরযোগ্য ছাত্রদের বর্ণনা” এই বিষয়ের প্রধান শব্দ। এটি আমাদের শেখায়, কোনো বড় ব্যক্তির কথা বলে কেউ কিছু বললেই তা সরাসরি মেনে নেওয়া ঠিক নয়। দীনী জ্ঞান গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিচিত, সৎ ও যাচাই করা সূত্রের গুরুত্ব এই বর্ণনায় পরিষ্কারভাবে পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বড় সাহাবীর নামে বর্ণিত কথাও যাচাই করা উচিত।
- বিশ্বস্ত ছাত্রদের সত্যায়ন বর্ণনা গ্রহণে সহায়ক ছিল।
- দীনী উদ্ধৃতিতে সূত্র জানা একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা।
