২৫/২. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৪৪ - প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের শিকার
প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত প্রাণী দ্বারা শিকার
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের শিকার খাওয়ার বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৪৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৪৪
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي الْكَلْبِ الْمُعَلَّمِ كُلْ مَا أَمْسَكَ عَلَيْكَ إِنْ قَتَلَ وَإِنْ لَمْ يَقْتُلْ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) বলতেন : প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর যদি কোন প্রাণী শিকার করে তবে উহা মেরে ফেলুক বা জীবিত ধরুক সকল অবস্থায়ই উহা খাওয়া জায়েয। [১]
[১] প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোন হিংস্র প্রাণী যেমন কুকুর, বাজপাখী ইত্যাদি যদি বিসমিল্লাহ বলে শিকারের উদ্দেশ্যে ছাড়া হয় এবং উহা কোন প্রাণী মেরে আনে তবে উহা খাওয়া জায়েয।(ক) হামলা করতে ইশারা করলে হামলা করে।(খ) থেমে যেতে ইশারা করলে থেমে যায় এবং(গ) শিকারকৃত প্রাণী হতে কিছু ভক্ষণ করে নাÑ এই তিনটি শর্ত পাওয়া গেলে উহাকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বলে গণ্য করা হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর যদি কোনো প্রাণী শিকার করে, তবে সেটি মেরে ফেলুক বা জীবিত ধরে আনুক—উভয় অবস্থায়ই তা খাওয়া জায়েয। এখানে মূল বিষয় হলো কুকুরটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হওয়া এবং শিকারটি শিকারীর জন্য ধরে রাখা। হাদিসটি শিকারী কুকুর, হালাল শিকার এবং কুকুর দিয়ে শিকার করার বিধান সম্পর্কে সরাসরি কথা বলে। তবে বর্ণনাটিতে অতিরিক্ত শর্ত বা অন্য কুকুরের অংশগ্রহণের আলোচনা নেই। তাই ব্যাখ্যাও এই সীমার মধ্যে রাখা হলো। সহজভাবে বললে, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের শিকার সম্পর্কে সাহাবি ইবনু উমার (রা)-এর অনুমতির কথা এখানে পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের শিকার সম্পর্কে আলাদা বিধান আছে।
- শিকার জীবিত ধরা হোক বা মেরে ফেলা হোক—বর্ণনায় উভয় অবস্থার কথা এসেছে।
- শিকার খাওয়ার বিষয়ে সাহাবিদের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান দেয়।
