৫৪/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৪৬ - সান্ডার গোশত নিয়ে নবীজির স্পষ্ট কথা
সান্ডার (গুইসাপের) গোশত খাওয়া প্রসঙ্গ
সান্ডার গোশত: নবীজি খাননি, আবার হারামও বলেননি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৭৪৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৭৪৬
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَأَنَّ رَجُلًا نَادَى رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ مَا تَرَى فِي الضَّبِّ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَسْتُ بِآكِلِهِ وَلَا بِمُحَرِّمِهِ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে আহ্বান করে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! সান্ডার গোশত সম্বন্ধে আপনি কি বলেন? রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বললেন, আমি উহা খাই না, তবে হারামও বলি না।
(বুখারী ৫৫৩৬, মুসলিম ১৯৪৩)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে একজন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সান্ডার গোশত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। উত্তরে নবীজি খুব পরিষ্কারভাবে বলেন, তিনি এটি খান না, তবে এটিকে হারামও করেন না। এই হাদিস আমাদের শেখায়, শরিয়তের বিধান বুঝতে ভারসাম্য দরকার। কোনো জিনিস কারও রুচির সঙ্গে না মিললেই সেটি হারাম হয়ে যায় না। আবার কোনো খাবার সম্পর্কে প্রশ্ন থাকলে জেনে নেওয়া ভালো। নবীজির উত্তরটি ছোট হলেও এর শিক্ষা বড়—ব্যক্তিগত পছন্দ ও হারাম-হালালের বিধানকে আলাদা রাখতে হবে। তাই সান্ডার গোশত নিয়ে আলোচনা করতে গেলে এই হাদিসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে নবীজির সরাসরি বক্তব্য আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি সান্ডার গোশত নিজে খাননি।
- তিনি স্পষ্ট বলেছেন, এটিকে হারামও করেন না।
- রুচি ও শরয়ি বিধানের মধ্যে পার্থক্য রাখা দরকার।
- খাবার সম্পর্কে সন্দেহ হলে জিজ্ঞেস করা ভালো পদ্ধতি।
