১২/৯৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১৫৫ - প্রতিটি ওঠা-নামায় তাকবীর
উঠার জন্যে তাকবীর বলা
প্রতিটি ওঠা-নামায় তাকবীর: আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর সালাত
সুনানে আন-নাসায়ী : ১১৫৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১১৫৫
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، كَانَ يُصَلِّي بِهِمْ فَيُكَبِّرُ كُلَّمَا خَفَضَ وَرَفَعَ، فَإِذَا انْصَرَف قَالَ: «وَاللَّهِ إِنِّي لَأَشْبَهُكُمْ صَلَاةً بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»
আবূ সালামাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তাঁদেরকে (সাহাবীদের) নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তিনি যখনই উঠতেন বা নীচু হতেন তখনই তাকবির বলতেন। সালাত সমাপ্ত করে তিনি বলতেন, আল্লাহর কসম! তোমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাতের সাথে আমার সালাত অধিক সামঞ্জস্যশীল।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১৫৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর ইমামতি ও সালাতের পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে। তিনি সাহাবিদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। যখনই তিনি নিচু হতেন বা উঠতেন, তখন তাকবীর বলতেন। সালাত শেষ করে তিনি আল্লাহর কসম করে বলেন, উপস্থিতদের মধ্যে তাঁর সালাত রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সালাতের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। হাদিসটির মূল বিষয় সালাতের প্রতিটি ওঠা-নামায় তাকবীর এবং নববী সালাত অনুসরণের দাবি। এখানে আবু হুরায়রা (রাঃ) নিজের দেখা ও শেখা পদ্ধতি বাস্তবে দেখিয়েছেন। বর্ণনায় আলাদা আলাদা সব অবস্থার নাম নেই; “যখনই নিচু হতেন বা উঠতেন” কথাটি সাধারণভাবে এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় সেই ভাষাই রাখা হয়েছে। হাদিস থেকে বোঝা যায়, তাকবীর শুধু সালাত শুরুর মধ্যে সীমিত ছিল না; সালাতের ভঙ্গি বদলের সঙ্গেও তা বলা হতো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আবু হুরায়রা (রাঃ) প্রতিটি ওঠা ও নিচু হওয়ার সময় তাকবীর বলতেন।
- তিনি সাহাবিদের নিয়ে ইমামতি করে পদ্ধতিটি দেখিয়েছেন।
- সালাত শেষে তিনি নববী সালাতের সঙ্গে নিজের সালাতের সামঞ্জস্যের কথা বলেন।
- হাদিসে তাকবীরের ধারাবাহিক ব্যবহার স্পষ্ট হয়েছে।
