১২/৯৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১৫৬ - রুকুর পরের যিকর ও তাকবীর

উঠার জন্যে তাকবীর বলা

রুকু-সিজদায় তাকবীর ও ‘রব্বানা ওয়ালাকাল হামদ’

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১১৫৬

أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، وَسَوَّارُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَوَّارٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُمَا صَلَّيَا خَلْفَ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَلَمَّا رَكَعَ كَبَّرَ، فَلَمَّا رَفَعَ رَأْسَهُ قَالَ: «سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ»، ثُمَّ سَجَدَ وَكَبَّرَ وَرَفَعَ رَأْسَهُ وَكَبَّرَ، ثُمَّ كَبَّرَ حِينَ قَامَ مِنَ الرَّكْعَةِ، ثُمَّ قَالَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنِّي لَأَقْرَبُكُمْ شَبَهًا بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا زَالَتْ هَذِهِ صَلَاتُهُ حَتَّى فَارَقَ الدُّنْيَا» وَاللَّفْظُ لِسَوَّارٍ

আবূ বকর ইবনু 'আবদুর রহমান এবং আবূ সালামাহ্ ইবনু 'আবদুর রহমান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

তাঁরা উভয়ে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) এর পিছনে সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি রুকু' করলেন তখন তাকবির বললেন। যখন মাথা উঠালেন তখন বললেন- سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ (সামি' আল্ল-হু লিমান হামিদাহ, রব্বানা- ওয়ালাকাল হাম্দ) অতঃপর সিজদা দিতে তাকবির বললেন এবং যখন (সিজদা হতে) তাঁর মাথা উঠালেন তখনও তাকবির বললেন। অতঃপর এক রাকাতের পরে যখন দাঁড়ালেন তখন তাকবির বললেন। পরে বললেন, যাঁর হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম! আমি তোমাদের মাঝে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে বেশি সামঞ্জস্যশীল। পৃথিবী ত্যাগ করা পর্যন্ত তাঁর সালাত এরূপই ছিল।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১৫৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে দুজন ব্যক্তি আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর পেছনে সালাত আদায় করেন এবং তাঁর আমল লক্ষ্য করেন। তিনি রুকুতে যাওয়ার সময় তাকবীর বলেন। রুকু থেকে মাথা তুলে বলেন, “সামি‘ আল্লাহু লিমান হামিদাহ, রব্বানা ওয়ালাকাল হামদ”। এরপর সিজদায় যাওয়ার সময় তাকবীর বলেন এবং সিজদা থেকে মাথা তোলার সময়ও তাকবীর বলেন। এক রাকাত শেষে দাঁড়ানোর সময়ও তিনি তাকবীর বলেন। পরে তিনি কসম করে জানান, উপস্থিতদের মধ্যে তাঁর সালাত রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সালাতের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়া পর্যন্ত এভাবেই সালাত আদায় করেছেন। হাদিসটির মূল বিষয় রুকুর পরের যিকর, ওঠা-নামার তাকবীর এবং নববী সালাত অনুসরণ। এতে দেখা আমল ও সাহাবির স্পষ্ট বক্তব্য একসঙ্গে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রুকুতে যাওয়ার সময় তাকবীর বলা হয়েছে।
  • রুকু থেকে উঠে ‘সামি‘ আল্লাহু লিমান হামিদাহ, রব্বানা ওয়ালাকাল হামদ’ বলা হয়েছে।
  • সিজদায় যাওয়া, ওঠা এবং এক রাকাত পর দাঁড়ানোর সময় তাকবীর বলা হয়েছে।
  • আবু হুরায়রা (রাঃ) এটিকে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সালাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন