২০/৬৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮০৮ - দৈনিক ১২ রাকাত নফল সালাত
হাদীস বর্ণনায় ইসমা‘ঈল ইবনু খালিদ-এর ওপর মতানৈক্য
ফরজ ছাড়া ১২ রাকাত সালাতের জান্নাতি পুরস্কার
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৮০৮
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৮০৮
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ صَلَّى فِي يَوْمٍ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً سِوَى الْفَرِيضَةِ بَنَى اللَّهُ لَهُ أَوْ بُنِيَ لَهُ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ»
উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি দৈনিক ফরজ ব্যতীত বারো রাকাত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তা'আলা তার জন্যে জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন। (রাবী বলেন) অথবা (তিনি বলেন) তার জন্যে জান্নাতে একটি ঘর বানানো হবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮০৮-এর সারসংক্ষেপ
রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর এই বাণীতে দৈনিক ফরজ ছাড়া ১২ রাকাত সালাত আদায়ের ফজিলত বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি তা আদায় করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন; রাবির ভাষায়, “তার জন্য একটি ঘর বানানো হবে”—দুইভাবে কথাটি এসেছে। অর্থের কেন্দ্র একই: বারো রাকাত অতিরিক্ত সালাতের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ। এখানে কোন ওয়াক্তের আগে বা পরে কত রাকাত পড়তে হবে, তা নেই। তাই “১২ রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ম” নিয়ে এই হাদিস থেকে শুধু দৈনিক সংখ্যা এবং ফরজের বাইরে হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। বর্ণনার শব্দভেদের কথাও অনুবাদে সততার সঙ্গে রাখা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, একই মূল অর্থ রাবি দুই সম্ভাব্য বাক্যে জানিয়েছেন। ব্যাখ্যার সময় এই শব্দভেদকে নতুন কোনো আলাদা প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখানো ঠিক হবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বারো রাকাত সালাতকে ফরজের বাইরে বলা হয়েছে।
- রাবির শব্দভেদ থাকলেও মূল অর্থ একই।
- এই বর্ণনায় ওয়াক্তভিত্তিক রাকাতের তালিকা নেই।
