২০/৬৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮০৯ - ১২ রাকাত সুন্নত সালাতের ফজিলত
হাদীস বর্ণনায় ইসমা‘ঈল ইবনু খালিদ-এর ওপর মতানৈক্য
দিন-রাতে ১২ রাকাত সালাত কেন গুরুত্বপূর্ণ
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৮০৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৮০৯
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُثَنَّى، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنِي حَمَّادٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ صَلَّى ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً فِي يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ بَنَى اللَّهُ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ»
উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি দিন-রাতে বারো রাকাত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তার জন্যে জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিন-রাতে ১২ রাকাত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন। বর্ণনাটি খুব সরল এবং এতে রাকাতের সময়সূচি নেই। ফলে এর মূল কীওয়ার্ড হলো “দিন-রাতে ১২ রাকাত সালাত” এবং “জান্নাতে ঘর”। পাঠকের জন্য সহজ শিক্ষা হলো, দৈনিক জীবনে বারো রাকাত অতিরিক্ত সালাতকে গুরুত্ব দেওয়ার একটি বড় উৎসাহ এখানে পাওয়া যায়। তবে এই অনুবাদে “ফরজ ছাড়া” কথাটি নেই এবং কোন ওয়াক্তের সঙ্গে রাকাতগুলো যুক্ত, তাও বলা হয়নি। তাই অন্য বর্ণনার তালিকা এখানে জুড়ে দেওয়া হয়নি। হাদিসটি যতটুকু বলেছে, ততটুকুই নিশ্চিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে: নির্দিষ্ট সংখ্যক সালাত এবং তার জন্য জান্নাতে ঘর বানানোর সুসংবাদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দিন-রাতে বারো রাকাত সালাত আদায়ের উৎসাহ পাওয়া যায়।
- আল্লাহর পক্ষ থেকে জান্নাতে ঘরের সুসংবাদ এসেছে।
- বর্ণনায় ফরজ বা ওয়াক্তভিত্তিক বিস্তারিত উল্লেখ নেই।
