২১/১৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮৫০ - পরিবারের কান্না ও মৃতের শাস্তি

মৃতের জন্য ক্রন্দনের নিষেধাজ্ঞা

পরিবারের ক্রন্দন ও মৃতের শাস্তি: উমর (রাঃ)-এর বর্ণনা

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৮৫০

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ سَيْفٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: قَالَ سَالِمٌ، سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، يَقُولُ: قَالَ عُمَرُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يُعَذَّبُ الْمَيِّتُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ»

উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : মৃত ব্যক্তির পরিবারবর্গের ক্রন্দনের কারণে তাকে শাস্তি দেয়া হয়।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৮৫০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি সংক্ষিপ্ত বাণী বর্ণনা করেছেন: মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবারবর্গের ক্রন্দনের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়। বক্তব্যটি শোকের সময় পরিবারের আচরণ সম্পর্কে একটি শক্ত সতর্কবার্তা। পরিবারের ক্রন্দন এবং মৃতের শাস্তি এই হাদিসের মূল বিষয়। এখানে কোনো দীর্ঘ ঘটনা বা শাস্তির ধরন বর্ণিত হয়নি। তাই ব্যাখ্যায়ও অতিরিক্ত কল্পনা না করে মূল কথায় থাকা জরুরি। মৃত্যুতে চোখে পানি আসা ও হৃদয়ের কষ্ট অন্য বর্ণনায় স্বাভাবিক বলে এসেছে, কিন্তু এই হাদিস যে ক্রন্দন সম্পর্কে সতর্ক করছে, তা হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। সহজ শিক্ষা হলো, পরিবারকে শোকের সময় সংযমী থাকতে সাহায্য করা, উচ্চস্বরে বিলাপ থেকে দূরে থাকা এবং রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সতর্কবাণীকে সম্মান করা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • উমর (রাঃ) সরাসরি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) থেকে সতর্কবাণীটি বর্ণনা করেছেন।
  • পরিবারের শোকপ্রকাশ সংযত হওয়া দরকার।
  • হাদিসে নেই এমন শাস্তির বিস্তারিত নিজে থেকে বলা উচিত নয়।
  • মৃত্যুর সময় পরিবারকে শান্ত ও দায়িত্বশীল থাকতে সাহায্য করা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন