২১/১১৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২০৬১ - কবরের আজাব থেকে আশ্রয় চাওয়া
ক্বরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা
কবরের আজাব থেকে আশ্রয় চাওয়ার নববী আমল
সুনানে আন-নাসায়ী : ২০৬১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২০৬১
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ سَوَّادِ بْنِ الْأَسْوَدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ ابْنِ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: «سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ ذَلِكَ يَسْتَعِيذُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এরপরে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাইতে শুনেছি।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২০৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের বক্তব্য খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। আবু হুরায়রা (রাঃ) জানান, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে কবরের আজাব থেকে আশ্রয় চাইতে শুনেছেন। এতে বোঝা যায়, কবরের আজাব থেকে বাঁচার দোয়া করা নবীজির আমলের অংশ ছিল। একজন মুমিন নিজের শক্তি বা আমলের ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চায়। হাদিসটিতে কোনো নির্দিষ্ট সময় কিংবা দোয়ার পূর্ণ বাক্য উল্লেখ করা হয়নি। তাই ব্যাখ্যাতেও সেই সীমা মানা জরুরি। এখানে প্রধান শিক্ষা হলো কবরের আজাবকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া এবং আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া। নিয়মিত দোয়ায় বিষয়টি মনে রাখা মানুষকে মৃত্যু ও আখিরাত সম্পর্কে সচেতন রাখে। একই সঙ্গে এটি বিনয় শেখায়, কারণ চূড়ান্ত রক্ষা কেবল আল্লাহর কাছ থেকেই আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কবরের আজাব থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া নববী আমলের অংশ।
- আখিরাতের শাস্তি সম্পর্কে সচেতন থাকা মুমিনের জন্য উপকারী।
- নিজের আমলের ওপর অহংকার না করে আল্লাহর নিরাপত্তা চাইতে হয়।
