২২/২৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৬৫ - সাহরির দাওয়াত ও বরকতময় খাবার
সাহরীকে সকালের খাবার বলে নামকরণ
সাহরির দাওয়াত: বরকতময় খাবারে অন্যকে শরিক করার নববী শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৬৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৬৫
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِرَجُلٍ: «هَلُمَّ إِلَى الْغَدَاءِ الْمُبَارَكِ» - يَعْنِي السَّحُورَ -
খালিদ ইবনু মা'দান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে বলেন: তোমরা সকালের বারাকাতপূর্ণ খাবারের জন্য এসো, অর্থাৎ সাহরীর জন্য এসো।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৬৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) একজন ব্যক্তিকে সাহরির জন্য ডেকেছেন এবং বলেছেন, বরকতময় খাবারের জন্য এসো। বর্ণনাটি ছোট হলেও দুটি বিষয় স্পষ্ট করে। প্রথমত, সাহরি বরকতময় খাবার। দ্বিতীয়ত, অন্য কাউকে সাহরিতে ডাকা একটি সুন্দর নববী আচরণ হিসেবে দেখা যায়। এখানে খাবারের ধরন, পরিমাণ বা আয়োজন নিয়ে কোনো কথা নেই। তাই হাদিসের মূল শিক্ষা খাবারের বাহারি আয়োজন নয়; বরং সাহরিতে অংশ নেওয়া এবং অন্যকে অংশ নিতে আহ্বান করা। পরিবার, বন্ধু বা সঙ্গীকে সাহরির জন্য জাগানো কিংবা ডাকা এই বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে অতিরিক্ত কোনো দাবি না করে বলা যায়, সাহরির দাওয়াত, সাহরির বরকত এবং রোজার প্রস্তুতির সহজ চিত্র এই হাদিসে পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরিকে নবী (صلى الله عليه وسلم) বরকতময় খাবার বলেছেন।
- অন্যকে সাহরির জন্য ডাকা হাদিসে বর্ণিত একটি সুন্দর আচরণ।
- সাহরির আসল গুরুত্ব আয়োজনের চেয়ে এতে অংশ নেওয়ার মধ্যে।
