২২/২৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৬৬ - সাহরি ইসলামী সিয়ামের স্বতন্ত্র পরিচয়
আমাদের সিয়াম এবং আহলে কিতাবের সিয়ামের মাঝে পার্থক্য
সাহরি কেন গুরুত্বপূর্ণ: মুসলিম সিয়ামের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৬৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৬৬
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُلَيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ فَصْلَ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَكْلَةُ السُّحُورِ»
‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমাদের সিয়াম এবং আহলে কিতাবের সিয়ামের মাঝে পার্থক্য হল সাহরী খাওয়া।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহরির একটি বিশেষ দিক বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জানিয়েছেন, মুসলিমদের সিয়াম এবং আহলে কিতাবের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া। অর্থাৎ সাহরি কেবল রোজার আগে খাবার গ্রহণ নয়; এটি মুসলিম সিয়ামের একটি আলাদা পরিচয়ও বহন করে। হাদিসে অন্য কোনো পার্থক্য বা বাড়তি বিধান আলোচনা করা হয়নি। তাই ব্যাখ্যার কেন্দ্রেও সাহরির এই স্বতন্ত্র অবস্থানই থাকা উচিত। রোজাদার সাহরি গ্রহণের মাধ্যমে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর শেখানো পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত হন। খাবার অল্প বা বেশি—এ বিষয়ে বর্ণনা কিছু বলে না। মূল কথা হলো সাহরির আমলটি রাখা। “সাহরি কেন খাব”, “সাহরির গুরুত্ব” বা “সিয়ামের পার্থক্য” নিয়ে যারা খোঁজ করেন, এই হাদিস তাদের জন্য সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট উত্তর।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরি মুসলিম সিয়ামের একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।
- রোজার পদ্ধতিতে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশিত পরিচয় ধরে রাখা উচিত।
- হাদিসের মূল গুরুত্ব সাহরি গ্রহণে, খাবারের ধরন বা পরিমাণে নয়।
