২২/৩৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৯৯ - তারাবি ও পূর্বের গুনাহ ক্ষমা
যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রমাযান মাসে রাতের সলাত আদায় করে এবং সওম পালন করে তার সাওয়াব - এ বিষয়ে যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) থেকে রিওয়ায়াত বর্ণনায় ইখতিলাফ
তারাবি ও গুনাহ ক্ষমা: ঈমান ও ইহতিসাবের গুরুত্ব
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৯৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৯৯
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় তারাবীহর সালাত আদায় করে তার আগের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে এবং সওয়াবের আশায় রমজানের রাতের সালাত আদায় করে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। অনুবাদে এই আমলকে তারাবির সালাত বলা হয়েছে। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হলেও এর বার্তা পরিষ্কার। তারাবি কেবল একটি মৌসুমি অভ্যাস নয়; এটি বিশ্বাস ও আন্তরিক প্রত্যাশার সঙ্গে করা ইবাদত। ‘ঈমানের সঙ্গে’ মানে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রেখে, আর ‘সওয়াবের আশায়’ মানে তাঁর প্রতিদান কামনা করে সালাতে দাঁড়ানো। হাদিসে রাকাতের সংখ্যা, জামাতের ধরন বা অন্য কোনো বিস্তারিত আলোচনা নেই। তাই এই নির্দিষ্ট বর্ণনার ব্যাখ্যাও সেই মূল শিক্ষার মধ্যে সীমিত থাকবে। ক্ষমার সুসংবাদ বলার সময় বর্ণিত শর্তগুলো বাদ না দেওয়াই দায়িত্বশীল উপস্থাপন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তারাবির সালাত রমজানের রাতের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
- ঈমানের সঙ্গে সালাত আদায় করার শর্ত এসেছে।
- আল্লাহর সওয়াবের আশা রাখা দরকার।
- হাদিসে না থাকা রাকাত বা পদ্ধতির বিস্তারিত এখানে যোগ করা উচিত নয়।
