২২/৩৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৯৭ - তারাবির সালাতের ফজিলত
যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রমাযান মাসে রাতের সলাত আদায় করে এবং সওম পালন করে তার সাওয়াব - এ বিষয়ে যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) থেকে রিওয়ায়াত বর্ণনায় ইখতিলাফ
তারাবির নামাজের ফজিলত: ঈমান, নিয়ত ও ক্ষমার আশা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৯৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৯৭
أَخْبَرَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমজানে তারাবীহর সালাত আদায় করে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তারাবির সালাতের ফজিলত খুব সংক্ষেপে জানিয়েছেন। যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে এবং আল্লাহর কাছে সওয়াবের আশা রেখে রমজানের রাতের সালাত আদায় করে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। এখানে তিনটি বিষয় একসঙ্গে আছে: রমজানের কিয়াম, ঈমান এবং ইহতিসাব। তাই হাদিসটি কেবল তারাবির বাহ্যিক আমল শেখায় না; কেন এবং কার জন্য এই সালাত আদায় করা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। ইবাদত মানুষের প্রশংসা, অভ্যাস বা সামাজিক চাপের জন্য নয়—আল্লাহর সন্তুষ্টি ও প্রতিদানের আশায় হওয়া উচিত। অনুবাদে তারাবি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে, আর আরবি বর্ণনায় ‘কিয়ামু রমাদান’ অর্থাৎ রমজানের রাতের সালাতের কথা আছে। ক্ষমার সুসংবাদটি বর্ণিত শর্তসহ গ্রহণ করাই সঠিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের রাতের সালাতকে গুরুত্ব দিতে হবে।
- তারাবি ঈমানের সঙ্গে আদায় করার কথা এসেছে।
- সওয়াবের আশা ইবাদতের নিয়তকে বিশুদ্ধ রাখে।
- হাদিসে পূর্বের গুনাহ ক্ষমার সুসংবাদ রয়েছে।
