২২/৫৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৯৩ - রমজানে রোজা শুরু করে সফরে ভাঙা
মানসূর (রহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণনার পার্থক্য
রমজানের রোজা শুরু করে সফরের মধ্যে ভাঙার দৃষ্টান্ত
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২৯৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২৯৩
أَخْبَرَنِي هِلَالُ بْنُ الْعَلَاءِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مُجَاهِدٌ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَامَ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ، وَأَفْطَرَ فِي السَّفَرِ»
মুজাহিদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার রমজান মাসে সাওম শুরু করে তা সফরের মধ্যে ভেঙে ফেলেছিলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খুব সংক্ষেপে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم রমজান মাসে সাওম পালন করেছিলেন এবং সফরের মধ্যে তা ভেঙেছিলেন। বর্ণনার মূল বিষয় হলো, রোজা শুরু হয়ে যাওয়ার পর সফরের অবস্থায় তা শেষ করার আগেই ভাঙা হয়েছে। এখানে সফরের স্থান, সময়, ব্যবহৃত খাবার বা পানীয় এবং রোজা ভাঙার কারণ আলাদাভাবে উল্লেখ নেই। ফলে ব্যাখ্যার সময় শুধু মূল তথ্যের মধ্যেই থাকা দরকার। এই বর্ণনা মুসাফিরের রোজা ভাঙার একটি নববী দৃষ্টান্ত তুলে ধরে। একই সঙ্গে এটি বোঝায় যে দিনের শুরুতে রোজা থাকলেই সফরের কারণে পরে তা ভাঙার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়নি। তবে এটি থেকে সব সফরকারীর জন্য একই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার কথা হাদিসে বলা হয়নি। হাদিসটির শিক্ষা মূলত নবী صلى الله عليه وسلم-এর বাস্তব আমল জানা এবং সফরের সহজতাকে স্বীকার করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم রমজানের রোজা শুরু করে সফরের মধ্যে ভেঙেছিলেন।
- দিনের শুরুতে রোজা থাকলেও সফরে পরে তা ভাঙার দৃষ্টান্ত রয়েছে।
- বর্ণনায় নেই এমন স্থান বা কারণ নিশ্চিতভাবে যোগ করা যাবে না।
- মুসাফিরের জন্য দেওয়া সহজতা নববী আমলে প্রয়োগ হয়েছে।
