২২/৬৮. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩৩৯ - ফজরের পূর্বে রোজার নিয়ত

এ প্রসঙ্গে হাফসাহ্ (রাঃ);-এর হাদীস বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনা পার্থক্যের উল্লেখ

ফজরের পূর্বে রোজার নিয়ত করার হাদিস

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩৩৯

أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حَمْزَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ حَفْصَةَ، قَالَتْ: «لَا صِيَامَ لِمَنْ لَمْ يُجْمِعِ الصِّيَامَ قَبْلَ الْفَجْرِ»---[حكم الألباني] صحيح موقوف

হাফসাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

যে ব্যক্তি ফজরের পূর্বেই সাওমের নিয়ত করল না তার সাওম পালন হল না।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩৩৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে হাফসা (রা.)-এর বক্তব্য হিসেবে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি ফজরের আগে সাওমের নিয়ত করে না, তার সাওম পালন হয় না। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত এবং শেষে এটিকে সহিহ মাওকুফ বলা হয়েছে। এখানে ব্যাখ্যার মূল কেন্দ্র হলো ফজরের আগের সময়। অর্থাৎ রোজা শুরু হওয়ার আগে সাওমের সিদ্ধান্ত স্থির করা দরকার। নিয়ত বলতে কোনো বিশেষ বাক্য মুখে বলা—এ কথা এই হাদিসে নেই। তাই প্রদত্ত পাঠের সীমার মধ্যে বলা যায়, আগে থেকে রোজা রাখার দৃঢ় ইচ্ছাই প্রধান। এই বক্তব্য নফল রোজার দিনের বেলার নিয়ত বা নফল রোজা ভাঙার ঘটনার আলোচনা নয়। বরং “রোজার নিয়ত কখন করতে হয়” প্রশ্নে এটি সরাসরি ফজরের আগের সময়কে সামনে আনে এবং আগে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার শিক্ষা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ফজরের আগে সাওমের নিয়ত করার কথা বলা হয়েছে।
  • এটি হাফসা (রা.)-এর মাওকুফ বক্তব্য হিসেবে এসেছে।
  • নিয়তের কোনো নির্দিষ্ট শব্দ বা দোয়া উল্লেখ নেই।
  • নফল রোজা ভাঙার বিধান এখানে আলোচিত হয়নি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন