২২/৮৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৪২৬ - আইয়্যামে বীযে তিন দিন সাওমের নির্দেশ
মাসে তিনদিন সওম পালন করা প্রসঙ্গে মূসা ইবনু ত্বলহাহ্ (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় পার্থক্য
আইয়্যামে বীযে তিন দিন সাওম: ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৪২৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৪২৬
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَجُلَانِ مُحَمَّدٌ، وَحَكِيمٌ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ ابْنِ الْحَوْتَكِيَّةِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ رَجُلًا بِصِيَامِ ثَلَاثَ عَشْرَةَ، وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ، وَخَمْسَ عَشْرَةَ»---[حكم الألباني] حسن لغيره
আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) জনৈক ব্যক্তিকে তের, চৌদ্দ এবং পনের তারিখের সাওম পালন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৪২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় নবী (صلى الله عليه وسلم) একজন ব্যক্তিকে তের, চৌদ্দ ও পনের তারিখে সাওম পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। তাই এর কেন্দ্রীয় বিষয় আইয়্যামে বীযের রোজা। মাসে তিন দিন রোজা রাখতে আগ্রহী মানুষের জন্য হাদিসটি নির্দিষ্ট দিন জানিয়ে দেয়। এতে কোনো জটিল হিসাব নেই; হিজরি মাসের মাঝামাঝি তিন দিনই উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিসের আরবি সনদের পর আলবানীর মূল্যায়ন ‘হাসান লিগাইরিহি’ উল্লেখ আছে, কিন্তু অনুবাদে দেওয়া মূল নির্দেশ খুব সংক্ষিপ্ত—এই তিন তারিখে সাওম রাখা। তাই ব্যাখ্যায় অপ্রয়োজনীয় ফজিলত, অতিরিক্ত বিধান বা অন্য ঘটনার সঙ্গে এটি মেশানো ঠিক হবে না। সহজ ভাষায়, আইয়্যামে বীয কোন দিন—এই প্রশ্নের উত্তর হলো ১৩, ১৪ ও ১৫। আর মাসিক নফল সাওমকে নিয়মিত করতে এই তিন তারিখ মনে রাখা একটি বাস্তব উপায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হিজরি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে সাওম পালনের নির্দেশ এসেছে।
- আইয়্যামে বীযের দিন নির্ধারণে বর্ণনাটি সরাসরি ও পরিষ্কার।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে সংক্ষিপ্ত, টেক্সটনির্ভর শিক্ষা নেওয়া উচিত।
