২২/৮৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৪২৮ - আইয়্যামে বীয কেন রাখবেন: ১৩ ১৪ ১৫ তারিখ

মাসে তিনদিন সওম পালন করা প্রসঙ্গে মূসা ইবনু ত্বলহাহ্ (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় পার্থক্য

আইয়্যামে বীয কেন রাখবেন: ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের সাওম

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৪২৮

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُعَافَى بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مَعْنٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ: أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَرْنَبٍ، وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَدَّ يَدَهُ إِلَيْهَا، فَقَالَ الَّذِي جَاءَ بِهَا: إِنِّي رَأَيْتُ بِهَا دَمًا، فَكَفَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَهُ، وَأَمَرَ الْقَوْمَ أَنْ يَأْكُلُوا، وَكَانَ فِي الْقَوْمِ رَجُلٌ مُنْتَبِذٌ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا لَكَ؟»، قَالَ: إِنِّي صَائِمٌ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " فَهَلَّا ثَلَاثَ الْبِيضِ: ثَلَاثَ عَشْرَةَ، وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ، وَخَمْسَ عَشْرَةَ "

মূসা ইবনু ত্বলহাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

জনৈক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে একটি খরগোশ নিয়ে এলো। নবী (ﷺ) তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিলেন। তখন বাহক বলল, আমি এর সাথে রক্ত দেখেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাত গুটিয়ে নিলেন এবং সাহাবীদের খেতে নির্দেশ দিলেন। উপস্থিত সাহাবীদের মধ্যে একজন পাশে বসা ছিল। নবী (ﷺ) বললেন, তোমার কি হল? সে বলল, আমি সাওম পালন করছি। নবী (ﷺ) তাকে বললেন, কেন তুমি আইয়্যামে বীযের তিনদিনের সাওম কর না। অর্থাৎ তের, চৌদ্দ এবং পনের তারিখের সাওম।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৪২৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে একজন ব্যক্তি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে একটি খরগোশ নিয়ে আসে। তিনি হাত বাড়ালে বাহক জানায়, সে এর সঙ্গে রক্ত দেখেছে। এরপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হাত গুটিয়ে নেন, কিন্তু সাহাবীদের খেতে বলেন। উপস্থিত একজন ব্যক্তি আলাদা বসে থাকলে নবী (صلى الله عليه وسلم) তার অবস্থা জানতে চান। সে জানায়, সে সাওম পালন করছে। তখন তিনি তাকে প্রশ্নের ভঙ্গিতে আইয়্যামে বীযের তিন দিন সাওম রাখার কথা বলেন এবং দিনগুলো নির্দিষ্ট করেন—তের, চৌদ্দ ও পনের। বর্ণনার মূল লক্ষ্য মাসে তিন দিন নফল রোজার উপযুক্ত সময় দেখানো। এখানে খরগোশের ঘটনা ও সাওমের ঘটনা একই মজলিসে এসেছে, কিন্তু দুটিকে এক করে ফেলা ঠিক নয়। সাওমের শিক্ষা হলো, মাসিক তিন দিনের রোজার জন্য আইয়্যামে বীয বেছে নেওয়া। আর আচরণগত শিক্ষা হলো, কারও আলাদা থাকার কারণ কোমলভাবে জিজ্ঞেস করা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মাসে তিন দিন সাওমের জন্য ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের কথা বলা হয়েছে।
  • একজন সাওম পালনকারীকে দেখে তার অবস্থা জানতে চাওয়া ও ভালো পথ দেখানো হয়েছে।
  • খাবারের ঘটনা এবং সাওমের নির্দেশ—দুটি বিষয়কে বর্ণনার সীমার মধ্যে আলাদা করে বুঝতে হবে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন