১/১৭১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬৬ - সর্বাবস্থায় কুরআন ও জানাবাতের ব্যতিক্রম
অপবিত্র ব্যক্তির কুরআন তিলাওয়াত থেকে বিরত থাকা
অপবিত্র অবস্থা ছাড়া কুরআন তিলাওয়াত—সহজ ব্যাখ্যা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৬৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৬৬
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ أَبُو يُوسُفَ الصَّيْدَلَانِيُّ الرِّقِّيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيٍّ قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ عَلَى كُلِّ حَالٍ لَيْسَ الْجَنَابَةَ»
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অপবিত্র অবস্থা ছাড়া সর্বাবস্থায়ই কোরআন তিলাওয়াত করতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬৬-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: কুরআন তিলাওয়াত। এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) অপবিত্র অবস্থা ছাড়া সর্বাবস্থায়ই কুরআন তিলাওয়াত করতেন। এখানে ‘অপবিত্র অবস্থা’ বলতে বর্ণনায় জানাবাতের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। হাদিসটি কুরআন তিলাওয়াতের আদব ও পবিত্রতার সম্পর্ক তুলে ধরে। ‘সর্বাবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত’—এই কথার অর্থ এমন নয় যে সব অবস্থায় একই বিধান; বরং বর্ণনায় জানাবাতকে ব্যতিক্রম করা হয়েছে। তাই পাঠকের জন্য ভারসাম্য দরকার। একদিকে কুরআনের সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক রাখা, অন্যদিকে পবিত্রতার সীমা মানা। এই হাদিসের সৌন্দর্য হলো, খুব অল্প কথায় নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কুরআনপ্রেম ও পবিত্রতার আদব দুটোই সামনে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কুরআন তিলাওয়াতের সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক রাখতেন।
- জানাবাত অবস্থাকে এখানে আলাদা ব্যতিক্রম হিসেবে বলা হয়েছে।
- কুরআন পড়ার আদবের সঙ্গে পবিত্রতার সম্পর্ক আছে।
- মূল টেক্সটের বাইরে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত টানা উচিত নয়।
