২৪/৪৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭০৯ - উমরার ইহরামে পোশাক ও খালুকের বিধান
মুহরিমের জন্য খালুক ব্যবহার করা
উমরার ইহরামে কী করণীয়: পোশাক ও খালুক নিয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৭০৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৭০৯
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ يَعْلَى، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَجُلًا أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَدْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ، وَعَلَيْهِ مُقَطَّعَاتٌ وَهُوَ مُتَضَمِّخٌ بِخَلُوقٍ، فَقَالَ: أَهْلَلْتُ بِعُمْرَةٍ فَمَا أَصْنَعُ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا كُنْتَ صَانِعًا فِي حَجِّكَ» قَالَ: كُنْتُ أَتَّقِي هَذَا، وَأَغْسِلُهُ، فَقَالَ: «مَا كُنْتَ صَانِعًا فِي حَجِّكَ، فَاصْنَعْهُ فِي عُمْرَتِكَ»
সফওয়ান ইবনু ইয়া'লা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সফওয়ান ইবনু ইয়া'লা (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। জনৈক ব্যক্তি নাবী (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত হলো তখন সে ‘উমরার ইহরাম বাঁধা। তার গায়ে কয়েক টুকরা কাপড়ে তৈরি পোশাক ছিল। সে খালুক লাগিয়েছিল। সে বলল : আমি ‘উমরার ইহরাম বেঁধেছি, এখন আমার কি করণীয়? নাবী (ﷺ) তাকে বললেন : তুমি তোমার হজ্জে কি করতে? সে বলল : আমি এটা পরিত্যাগ করতাম এবং ধুয়ে ফেলতাম। তিনি (ﷺ) বললেন : তুমি তোমার হজ্জে যা করতে ‘উমরাতেও তাই করবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৭০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক ব্যক্তি উমরার ইহরাম অবস্থায় নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে আসেন। তাঁর গায়ে কয়েক টুকরা কাপড়ে তৈরি পোশাক ছিল এবং তিনি খালুক লাগিয়েছিলেন। তিনি জানতে চান, এখন কী করবেন। নবী صلى الله عليه وسلم তাঁকে পাল্টা জিজ্ঞেস করেন, হজ্জে হলে তিনি কী করতেন। ব্যক্তি বলেন, তিনি এসব পরিত্যাগ করতেন এবং ধুয়ে ফেলতেন। তখন নবী صلى الله عليه وسلم বলেন, হজ্জে যা করতে, উমরাতেও তা করো। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো, উমরার ইহরামও গুরুত্বের বিষয়; হজ্জের ইহরামের মতো সেখানে কিছু সীমা মানতে হয়। হাদিসে নির্দিষ্টভাবে পোশাক ও খালুকের প্রসঙ্গ এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় শুধু এই বিষয়গুলোর ওপরই থাকা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উমরার ইহরামেও হজ্জের ইহরামের মতো সতর্কতা দরকার।
- নিষিদ্ধ পোশাক ও খালুক থাকলে তা ছাড়ার নির্দেশ এসেছে।
- ভুল অবস্থায় পড়লে জিজ্ঞেস করে সঠিক পথ জানা উচিত।
- নবী صلى الله عليه وسلم প্রশ্নের মাধ্যমে ব্যক্তিকে নিজেই সঠিক বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করেছেন।
