২৪/১৩৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯২২ - তাওয়াফে কম কথা বলার আদব
ত্বওয়াফে কথা বলার বৈধতা
তাওয়াফে কম কথা বলা: কাবা তাওয়াফের গুরুত্বপূর্ণ আদব
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯২২
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯২২
أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ مُسْلِمٍ، ح وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ رَجُلٍ، أَدْرَكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ صَلَاةٌ، فَأَقِلُّوا مِنَ الْكَلَامِ» اللَّفْظُ لِيُوسُفَ خَالَفَهُ حَنْظَلَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ
ত্বাউস (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ত্বাউস (রহঃ) এমন এক ব্যক্তির সূত্রে বর্ণনা করেন, যিনি নবী (ﷺ)-এর সাক্ষাত লাভ করেছেন। তিনি বলেন: বায়তুল্লাহ্র তাওয়াফও সালাতের মতই। অতএব কমই কথা বলবে। শব্দ ইউসুফ-এর, হানযালাহ্ ইবনু আবূ সুফ্টয়ান (রহঃ)-এর বর্ণনায় 'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমর (রাঃ)-এর উল্লেখ করেছেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কাবা তাওয়াফের আদব খুব সংক্ষেপে বলা হয়েছে। বায়তুল্লাহর তাওয়াফকে সালাতের মতো বলা হয়েছে। তাই তাওয়াফের সময় কথা কম বলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মানে হলো, তাওয়াফ শুধু হাঁটার একটি কাজ নয়; এটি ইবাদত। তাই এতে মন, মুখ ও আচরণে ভদ্রতা দরকার। কেউ কাবা শরিফ তাওয়াফের নিয়ম জানতে চাইলে এই হাদিস তাকে মনে করিয়ে দেয় যে, তাওয়াফের সময় অহেতুক কথা, হাসি-তামাশা বা মনোযোগ নষ্ট করা ঠিক নয়। তবে হাদিসে শুধু কম কথা বলার কথা এসেছে; তাই এর বাইরে বাড়তি দাবি করা ঠিক হবে না। মূল শিক্ষা হলো, তাওয়াফে আল্লাহর ঘরের মর্যাদা অনুভব করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফ একটি সম্মানিত ইবাদত।
- তাওয়াফের সময় কথা কম রাখা উচিত।
- ইবাদতের সময় মনোযোগ ও আদব বজায় রাখা দরকার।
