২৪/১৩৬. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯২৩ - তাওয়াফে নীরবতা ও মনোযোগ

ত্বওয়াফে কথা বলার বৈধতা

তাওয়াফে কম কথা বলার শিক্ষা: সালাতের মতো মনোযোগ

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯২৩

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ: «أَقِلُّوا الْكَلَامَ فِي الطَّوَافِ، فَإِنَّمَا أَنْتُمْ فِي الصَّلَاةِ»---[حكم الألباني] صحيح الإسناد موقوف

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

ত্বাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমর (রাঃ) বলেছেন: তোমরা তাওয়াফে কথা কম বলবে। কেননা তোমরা সালাতের মাঝেই রয়েছ।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯২৩-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবন উমর রাঃ তাওয়াফে কথা কম বলতে বলেছেন। তিনি কারণও বলেছেন—তোমরা সালাতের মধ্যেই আছ। এখানে তাওয়াফের আদব খুব সুন্দরভাবে বোঝা যায়। তাওয়াফের সময় মানুষ কাবার চারপাশে ঘোরে, কিন্তু তার মন যেন আল্লাহর দিকে থাকে। কথাবার্তা একেবারে বন্ধ করার কথা এখানে সরাসরি নেই; বলা হয়েছে কম কথা বলতে। তাই হাদিসের ভাষা অনুযায়ী মূল শিক্ষা হলো, তাওয়াফকে হালকা বিষয় মনে না করা। যারা তাওয়াফের সময় কি পড়বেন, তাওয়াফের আদব বা কাবা তাওয়াফের নিয়ম খোঁজেন, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুব উপকারী। এটি তাওয়াফে ভদ্রতা, শান্ত ভাব এবং মনোযোগ শেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • তাওয়াফে অযথা কথা কম রাখা ভালো।
  • তাওয়াফকে সালাতের মতো সম্মানের সঙ্গে দেখা উচিত।
  • ইবাদতের সময় মনোযোগ নষ্ট করে এমন আচরণ এড়িয়ে চলা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন