২৪/১৫৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৪৭ - রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ
প্রত্যেক ত্বওয়াফে দুই রুকন স্পর্শ করা
রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদ স্পর্শের হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯৪৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯৪৭
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ ابْنِ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَانَ يَسْتَلِمُ الرُّكْنَ الْيَمَانِيَ، وَالْحَجَرَ فِي كُلِّ طَوَافٍ»
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) প্রত্যেক তাওয়াফেই রুকনে ইয়ামানী এবং হাজারে আসওয়াদ স্পর্শ করতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তাওয়াফের সময় কোন দুটি স্থানে স্পর্শ করার কথা এসেছে, তা খুব সংক্ষেপে বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) প্রত্যেক তাওয়াফে রুকনে ইয়ামানি এবং হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতেন। হাদিসের বক্তব্য সরল: তাওয়াফের সময় এই দুই রুকনের সঙ্গে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল যুক্ত ছিল। এখানে অন্য রুকন, অন্য স্থান বা অতিরিক্ত কোনো কাজের কথা বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যার সময় মূল বক্তব্যের মধ্যে থাকা জরুরি। যারা রুকনে ইয়ামানি কী, হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ, তাওয়াফের সুন্নাহ বা কাবার কোন কোণ স্পর্শ করা হয়—এসব জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা মূল বিষয়টি সহজ করে দেয়। এটি আমাদের নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর তাওয়াফের পদ্ধতি শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকনে ইয়ামানি ও হাজরে আসওয়াদ স্পর্শের বর্ণনা এসেছে।
- এই কাজ প্রত্যেক তাওয়াফে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- তাওয়াফে কোন স্থানে স্পর্শ করা হয়েছে তা হাদিসে নির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে।
- ইবাদতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বর্ণনা অনুযায়ী চলা নিরাপদ।
