২৪/১৫৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৪৮ - তাওয়াফে কোন রুকন স্পর্শ করা হবে
প্রত্যেক ত্বওয়াফে দুই রুকন স্পর্শ করা
তাওয়াফে শুধু হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানি স্পর্শের বর্ণনা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯৪৮
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯৪৮
أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَا: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَانَ لَا يَسْتَلِمُ إِلَّا الْحَجَرَ وَالرُّكْنَ الْيَمَانِيَ»
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাজারে আসওয়াদ এবং রুকনে ইয়ামানী ছাড়া অন্য কিছু স্পর্শ করতেন না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তাওয়াফের সময় স্পর্শ করার বিষয়টি সীমিতভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হাজরে আসওয়াদ এবং রুকনে ইয়ামানি ছাড়া অন্য কিছু স্পর্শ করতেন না। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক দেখায়: ইবাদতে আবেগ থাকলেও কাজটি নির্দিষ্ট বর্ণনা অনুযায়ী হওয়া দরকার। হাদিসে অন্য কোনো দেয়াল, কোণ বা অংশ স্পর্শ করার কথা নেই। তাই এই বর্ণনা তাওয়াফের নিয়ম বুঝতে সাহায্য করে। যারা কাবার কোন কোণ স্পর্শ করা যায়, রুকনে ইয়ামানি স্পর্শ, হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ বা তাওয়াফের সুন্নাহ খুঁজছেন, তাদের জন্য এই হাদিস সরাসরি উত্তর দেয়। তবে এখানেও অতিরিক্ত ফজিলত বা বিস্তারিত বিধান যোগ করা হয়নি, কারণ তা এই হাদিসে নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানি ছাড়া অন্য কিছু স্পর্শ করার বর্ণনা নেই।
- তাওয়াফের আমল নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
- ইবাদতে আবেগের সঙ্গে হাদিসের নির্দেশনা মানা দরকার।
- কাবার সব অংশ স্পর্শ করার কথা এই হাদিসে বলা হয়নি।
