২৪/১৫৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৪৯ - বায়তুল্লাহর দুই রুকনে ইয়ামানি
দুই রুকনে ইয়ামানী স্পর্শ করা
বায়তুল্লাহর দুই রুকনে ইয়ামানি স্পর্শের শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯৪৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯৪৯
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَمْسَحُ مِنَ الْبَيْتِ، إِلَّا الرُّكْنَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ»
সালিম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সালিম (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বায়তুল্লাহ্র দুই রুকনে ইয়ামানী ছাড়া আর অন্য কিছু স্পর্শ করতে দেখিনি।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবন উমর (রাঃ) নিজের দেখা আমল বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বায়তুল্লাহর দুই রুকনে ইয়ামানি ছাড়া আর কিছু স্পর্শ করতে দেখেননি। এখানে বক্তব্যটি নেতিবাচকভাবে এসেছে—অর্থাৎ তিনি অন্য কিছু স্পর্শ করতে দেখেননি। এর মাধ্যমে তাওয়াফে স্পর্শের বিষয়টি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে। হাদিসটি কাবা তাওয়াফের নিয়ম, রুকনে ইয়ামানি, হাজরে আসওয়াদ এবং তাওয়াফের সুন্নাহ সম্পর্কে সতর্ক ভাষায় শিক্ষা দেয়। এতে কোনো নতুন ফজিলত বা আলাদা শর্ত উল্লেখ নেই। তাই এর ব্যাখ্যাও হবে সহজ: নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর দেখা আমল অনুযায়ী তাওয়াফের সময় নির্দিষ্ট রুকনের বাইরে স্পর্শের বর্ণনা এই হাদিসে নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবন উমর (রাঃ) নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-কে শুধু দুই রুকনে ইয়ামানি স্পর্শ করতে দেখেছেন।
- তাওয়াফে স্পর্শ করার বিষয়টি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
- সাহাবির দেখা বর্ণনা ইবাদতের পদ্ধতি বোঝাতে সহায়ক।
- এই হাদিসে অন্য অংশ স্পর্শের কথা নেই।
