২৪/১৭৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৮৩ - সাঈতে রমল ও স্বাভাবিক হাঁটার শিক্ষা
রমাল করার স্থান
সাঈতে রমল ও হাঁটা: রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সহজ পদ্ধতি
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯৮৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯৮৩
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا جَابِرٌ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، نَزَلَ يَعْنِي عَنِ الصَّفَا حَتَّى إِذَا انْصَبَّتْ قَدَمَاهُ فِي الْوَادِي، رَمَلَ حَتَّى إِذَا صَعِدَ مَشَى»
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অবতরণ করেন অর্থাৎ সফা হতে। তাঁর পদযুগল বাত্বনুল ওয়াদীতে অবতরণ করলে তিনি (ﷺ) রমাল করেন। যখন তিনি (ﷺ) উপরে [মারওয়ায়] আরোহণ করেন, তখন স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাফা-মারওয়ার সাঈর চলার ধরন আরও পরিষ্কারভাবে এসেছে। জাবির (রাঃ) জানান, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সাফা থেকে নামলেন। তাঁর পদযুগল যখন বত্নুল ওয়াদীতে পৌঁছল, তখন তিনি রমল করলেন। এরপর যখন তিনি উপরে উঠলেন, তখন স্বাভাবিকভাবে হাঁটলেন। তাই হাদিসটি থেকে বোঝা যায়, সাঈতে দ্রুত চলা সব জায়গায় নয়; উপত্যকার অংশে তা ছিল, আর উপরের অংশে স্বাভাবিক হাঁটা ছিল। সাফা মারওয়া সাঈ করার নিয়ম জানতে চাইলে এই বর্ণনা খুব কাজে আসে। এতে সহজভাবে বোঝা যায়, ইবাদতের ভেতরেও পরিমিতি আছে। যেখানে দ্রুত চলা বর্ণিত, সেখানে দ্রুত চলা; আর যেখানে স্বাভাবিক হাঁটা বর্ণিত, সেখানে হাঁটা। হাদিসের বাইরে অন্য কোনো শর্ত এখানে যোগ করা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাফা থেকে নামার পর উপত্যকায় রমল করার বর্ণনা এসেছে।
- উপরে উঠলে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) স্বাভাবিকভাবে হাঁটতেন।
- সাঈর প্রতিটি অংশের আমল একরকম নয়।
- ইবাদতে নবীজির কাজের সূক্ষ্ম অনুসরণ শেখা যায়।
