২৪/১৮০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৮৪ - মারওয়ায় যিকর ও দোয়ার আমল
মারওয়ার উপর দাঁড়ানোর স্থান
মারওয়ায় যিকর ও দোয়া: সাঈর মাঝে তাওহীদের শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৯৮৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯৮৪
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، عَنْ شُعَيْبٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ، عَنْ ابْنِ الْهَادِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ " أَتَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَرْوَةَ، فَصَعِدَ فِيهَا، ثُمَّ بَدَا لَهُ الْبَيْتُ فَقَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، قَالَ: ذَلِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ «ثُمَّ ذَكَرَ اللَّهَ وَسَبَّحَهُ، وَحَمِدَهُ، ثُمَّ دَعَا بِمَا شَاءَ اللَّهُ فَعَلَ هَذَا حَتَّى فَرَغَ مِنَ الطَّوَافِ»
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মারওয়ায় এসে উপর অবস্থান করেন। তারপর বায়তুল্লাহ তাঁর দৃষ্টিগোচর হল।তখন তিনি তিনবার বললেন: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ইউয়ী ওয়া ইউমীতু, ওয়াহুওয়া 'আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর” [আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোন শারীক নেই, রাজত্ব কেবল তাঁরই, প্রশংসাও শুধুই তাঁর জন্য, তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান, তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।]।এরপর তিনি (ﷺ) আল্লাহর যিক্র করেন, সুবহা-নাল্ল-হ ও আলহাম্দুলিল্লা-হ বলেন। তারপর আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী দোয়া করেন এবং এভাবে তিনি তাওয়াফ শেষ করেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় মারওয়ায় যিকর ও দোয়া। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মারওয়ায় এসে উপরে অবস্থান করলেন। এরপর বায়তুল্লাহ তাঁর দৃষ্টিগোচর হলো। তখন তিনি তিনবার তাওহীদের বাক্য বললেন: আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই, তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। এরপর তিনি আল্লাহর যিকর করলেন, সুবহানাল্লাহ ও আলহামদুলিল্লাহ বললেন, তারপর আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী দোয়া করলেন। হাদিসটি সাফা মারওয়া দোয়া, মারওয়ায় যিকর এবং সাঈর দোয়া খুঁজতে থাকা পাঠকের জন্য সরাসরি দরকারি। এতে দেখা যায়, সাঈ শুধু হাঁটার কাজ নয়; এর মাঝে আল্লাহর একত্ব ঘোষণা, প্রশংসা এবং দোয়ার আমলও আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মারওয়ায় উঠে তাওহীদের বাক্য বলা বর্ণিত হয়েছে।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যিকর, তাসবিহ ও হামদ করেছেন।
- দোয়া করার জায়গা হিসেবে মারওয়ার আমল এই হাদিসে এসেছে।
- সাঈর কাজের সঙ্গে আল্লাহর স্মরণ জড়িত।
