২৪/১৮২. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৮৬ - সাফা-মারওয়ার তাওয়াফ একবার

ক্বিরান ও তামাতু‘ হাজ্জকারী সফা ও মারওয়ায় কয়টি সা‘ঈ করবে?

সাফা-মারওয়ার মাঝে একবার তাওয়াফ: হাদিসের সরল নির্দেশনা

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৯৮৬

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرًا، يَقُولُ: «لَمْ يَطُفِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابُهُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ إِلَّا طَوَافًا وَاحِدًا»

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আবুয যুবায়র (রহঃ) বর্ণনা করেন, তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, নাবী (ﷺ) সফা এবং মারওয়ার মধ্যে একবারের অধিক তাওয়াফ করেননি।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৯৮৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবু যুবাইর (রাঃ) জাবির (রাঃ)-এর বক্তব্য বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) সাফা ও মারওয়ার মধ্যে একবারের অধিক তাওয়াফ করেননি। এখানে মূল আলোচ্য বিষয় হলো সাফা-মারওয়ার সাঈ বা তাওয়াফের সংখ্যা। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তাই এটিকে সংক্ষিপ্তভাবেই বোঝা দরকার। এতে শুধু এতটুকু বলা হয়েছে যে নবীজি ও তাঁর সাহাবীগণ একবারের বেশি করেননি। যারা সাফা মারওয়া কতবার সাঈ করতে হয় বা সাফা মারওয়ার তাওয়াফ কতবার—এমন প্রশ্ন করেন, তারা এই হাদিস থেকে বিষয়টির সীমা সম্পর্কে ধারণা পান। এখানে অন্য কোনো অতিরিক্ত দোয়া, সময় বা শর্তের কথা নেই। তাই ব্যাখ্যায় সেগুলো যোগ করা হয়নি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সাফা-মারওয়ার মধ্যে একবারের বেশি তাওয়াফ না করার বর্ণনা এসেছে।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم) ও সাহাবীদের আমল অনুসরণযোগ্য হিসেবে উল্লেখিত।
  • ইবাদতে সংখ্যা ও সীমা নিজের মতো বাড়ানো ঠিক নয়।
  • হাদিসের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য সংক্ষিপ্তভাবেই বোঝা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন