২৭/৬৩. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩৫৩৩ - তালাক

মুসলিম নারীর ‘ইদ্দাত পালনে সাজ-সজ্জা ত্যাগ করা, যা ইয়াহুদী-খ্রিষ্টানের জন্য নয়

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৩৫৩৩

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ - قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ وَاللَّفْظُ لَهُ -، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ - بِهَذِهِ الْأَحَادِيثِ الثَّلَاثَةِ -،قَالَتْ زَيْنَبُ: دَخَلْتُ عَلَى أُمِّ حَبِيبَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ تُوُفِّيَ أَبُوهَا أَبُو سُفْيَانَ بْنُ حَرْبٍ، فَدَعَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ بِطِيبٍ فَدَهَنَتْ مِنْهُ جَارِيَةً، ثُمَّ مَسَّتْ بِعَارِضَيْهَا، ثُمَّ قَالَتْ: وَاللَّهِ مَا لِي بِالطِّيبِ مِنْ حَاجَةٍ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ تَحِدُّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلَاثِ لَيَالٍ، إِلَّا عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا» قَالَتْ زَيْنَبُ: ثُمَّ دَخَلْتُ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ، حِينَ تُوُفِّيَ أَخُوهَا وَقَدْ دَعَتْ بِطِيبٍ وَمَسَّتْ مِنْهُ، ثُمَّ قَالَتْ: وَاللَّهِ مَا لِي بِالطِّيبِ مِنْ حَاجَةٍ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ عَلَى الْمِنْبَرِ: «لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ تَحِدُّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلَاثِ لَيَالٍ، إِلَّا عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا»

যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ্ (রাঃ) এ তিনটি হাদীস বর্ণনা করেন। যায়নাব (রাঃ) বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর স্ত্রী উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। ইতোমধ্যে তাঁর পিতা আবু সুফিয়ান ইবনু হাব (রাঃ) মৃত্যুবরণ করেছেন। এ সময় উম্মু হাবীবাহ্ (রাঃ) সুগন্ধি আনেন। তিনি তা দাসীর গায়ে লাগান, পরে নিজের মুখে মেখে বললেন : আল্লাহর কসম! এখন আমার সুগন্ধি লাগাবার কোনো দরকার ছিল না, কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি: যে নারী আল্লাহ এবং আখিরাতের উপর বিশ্বাস রাখে, তার জন্য কোনো মৃতের জন্য তিনদিনের বেশি শোক করা জায়িয নয়। কিন্তু স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন।অতঃপর আমি যায়নাব [বিনতু জাহ্শা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম, তখন তাঁর ভাই মারা গেলেন। তিনি সুগন্ধি আনিয়ে তা চোখে লাগিয়ে বললেন: আল্লাহর কসম। এখন আমার সুগন্ধির দরকার ছিল না। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি: যে নারী আল্লাহ এবং আখিরাতের উপর ঈমান রাখে, তার জন্য কোনো মৃতের উদ্দেশে তিনদিনের বেশি শোক পালন করা বৈধ নয়। কেবল স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে।যায়নাব (রাঃ) বলেন: আমি উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলতে লাগল: হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! আমার মেয়ের স্বামী মৃত্যুবরণ করেছে। তার চোখে ব্যথা। আপনি অনুমতি দিলে আমি তার চোখে সুরমা লাগাতে পারি। তিনি বললেন: না। এখন তো শুধু চারমাস দশদিন শোক করতে হয়। অথচ জাহিলী যুগে মহিলাদেরকে বছর শেষে গোবর ছিটাতে হতো।হুমায়দ বলেন, আমি বললাম: বছর শেষে গোবর ছিটানোর অর্থ কী? যায়নাব (রাঃ) বলেন, জাহিলী যুগে যার স্বামীর মৃত্যু হতো, সে একটি ঝুপড়ি ঘরে অবস্থান করতো। আর নিকৃষ্ট কাপড় পরিধান করতো। এক বছর শেষ হওয়ার পূর্বে সে কোনো প্রকার সুগন্ধি লাগাতো না। এক বছর পর গাধা, বকরী অথবা কোনো পাখি তার কাছে আনা হতো। পরে সে তা মর্দন করতো। ফলে ঐ প্রাণী মারা যেত। তারপর সে বের হতো। এরপর তাকে উটের গোবর দেয়া হতো এবং সে তা ছুঁড়ে মারত। পরে সুগন্ধি মাখতো অথবা তার মনে যা চায়, তা করতো।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন