৪৬/৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৭৩২ - কাসামাহ
আল্লাহ তা‘আলার বাণী: “যদি আপনি কাফিরদের মধ্যে মীমাংসা করেন, তবে ইনসাফের সাথে মীমাংসা করবেন”- (সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ ৫ : ৪২); আয়াতের ব্যাখ্যা এবং এ সম্পর্কে ‘ইকরিমাহ্ (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনাগত পার্থক্য
সুনানে আন-নাসায়ী : ৪৭৩২
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৪৭৩২
أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَلِيٌّ وَهُوَ بْنُ صَالِحٍ عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابنِ عَبَّاسٍ قَالَ: كَانَ قُرَيْظَةُ وَالنَّضِيرُ وَكَانَ النَّضِيرُ أَشْرَفَ مِنْ قُرَيْظَةَ وَكَانَ إِذَا قَتَلَ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْظَةَ رَجُلًا مِنَ النَّضِيرِ قُتِلَ بِهِ، وَإِذَا قَتَلَ رَجُلٌ مِنَ النَّضِيرِ رَجُلًا مِنْ قُرَيْظَةَ أَدَّى مِائَةَ وَسْقٍ مِنْ تَمْرٍ، فَلَمَّا بُعِثَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَتَلَ رَجُلٌ مِنَ النَّضِيرِ رَجُلًا مِنْ قُرَيْظَةَ فَقَالُوا: ادْفَعُوهُ إِلَيْنَا نَقْتُلْهُ. فَقَالُوا: بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَتَوْهُ فَنَزَلَتْ: " {وَإِنْ حَكَمْتَ فَاحْكُمْ بَيْنَهُمْ بِالْقِسْطِ} [المائدة: 42] " وَالْقِسْطُ: النَّفْسُ بِالنَّفْسِ، ثُمَّ نَزَلَتْ: " {أَفَحُكْمَ الْجَاهِلِيَّةِ يَبْغُونَ} [المائدة: 50] "
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
কুরয়যাহ্ ও নাযীর ইয়াহুদীদের দু'টি গোত্র। এদের মধ্যে বানু নাযীর গোত্র বানু কুরয়যাহ্ গোত্র থেকে মর্যাদাশালী ছিল। বানূ কুরয়যাহ্-এর কোন ব্যক্তি বানু নাযীর-এর কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তাকে হত্যা করা হতো। কিন্তু বানু নাযীর-এর কোন ব্যক্তি বানু কুরয়যার কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে রক্তপণ স্বরূপ সে একশত ওয়াসাক্ব খেজুর আদায় করত।নবী (ﷺ) এর নুবুওয়্যাতের পর বানু নাযীর-এর জনৈক ব্যক্তি কুরয়যার জনৈক ব্যক্তিকে হত্যা করল। তখন বানু কুরয়যার লোকেরা বলল: হত্যাকারীকে আমাদের হাওলা কর, আমরা তাকে হত্যা করব। বানু নাযীর-এর লোকেরা বলল: তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে নবী (ﷺ) রয়েছেন।তারা তাঁর নিকট আসলে, তখন আয়াত নাযিল হলো: وَإِنْ حَكَمْتَ فَاحْكُمْ بَيْنَهُمْ بِالْقِسْطِ "...যদি আপনি কাফিরদের মধ্যে মীমাংসা করেন, তবে ইনসাফের সাথে মীমাংসা করবেন..."- (সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৪২)।আর ইনসাফ হলো প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ নেয়া।এরপর নাযিল হলো: "তারা কি অজ্ঞতার যুগের রেওয়াজ পছন্দ করছে?"- (সূরা আল মায়িদাহ্ ৫: ৪২)।
