৬/৫৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৬১৯ - স্মরণ হলেই ভুলে যাওয়া সালাত আদায়
সলাত আদায় না করে ঘুমিয়ে পড়লে পরের দিন সে ওয়াক্তে ক্বাযা আদায় করা
ভুলে যাওয়া নামাজ: স্মরণ হলেই সালাত কায়েম করুন
সুনানে আন-নাসায়ী : ৬১৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৬১৯
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ سَوَّادِ بْنِ الْأَسْوَدِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ وَهْبٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " مَنْ نَسِيَ صَلَاةً فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا؛ فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَالَ: ﴾أَقِمِ الصَّلَاةَ لِذِكْرِي﴿ [طه: 14]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোন সালাত ভুলে যায়, যখনই মনে হবে তখনই তা আদায় করে নিবে।কারণ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন- "এবং আমার স্মরণার্থে সালাত কায়িম কর"- (সূরা ত্ব-হা- ২০: ১৪)।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৬১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের বক্তব্য সরাসরি এবং সহজ। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো সালাত ভুলে যায়, তার যখনই মনে পড়বে তখনই সে সালাত আদায় করবে। এরপর কারণ হিসেবে আল্লাহ তাআলার বাণী উল্লেখ করা হয়েছে: “আমার স্মরণার্থে সালাত কায়েম কর”—সূরা ত্ব-হা, আয়াত ১৪। ফলে হাদিসটি শুধু একটি করণীয় জানায় না, সালাতকে আল্লাহর স্মরণের সঙ্গেও যুক্ত করে। “নামাজ ভুলে গেলে কী করবেন” প্রশ্নের উত্তর এখানে পরিষ্কার: স্মরণ হওয়ার পর সালাত আদায় করা। বর্ণনাটি ভুলে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে; ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ করার আলাদা আলোচনা এতে নেই। তাই দুই বিষয়কে এক করা উচিত নয়। এই হাদিস আমাদের শেখায়, ভুল বুঝতে পারার পর হতাশ না হয়ে বা আরও দেরি না করে সালাতের দিকে ফিরে যেতে। আয়াতের উল্লেখ সেই ফিরে আসাকে আল্লাহর স্মরণের অংশ হিসেবে সামনে আনে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভুলে যাওয়া সালাত মনে পড়ামাত্র আদায় করতে হবে।
- করণীয়টি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সরাসরি বলেছেন।
- সূরা ত্ব-হা ১৪ নম্বর আয়াত দলিল হিসেবে এসেছে।
- সালাত আল্লাহর স্মরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
