১০/২৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৮১০ - নামাজের কাতার সোজা করার কঠোর নির্দেশ
ইমাম কিভাবে কাতার সোজা করবেন?
নামাজের কাতার সোজা না করলে কী সতর্কতা আছে
সুনানে আন-নাসায়ী : ৮১০
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৮১০
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقَوِّمُ الصُّفُوفَ كَمَا تُقَوَّمُ الْقِدَاحُ، فَأَبْصَرَ رَجُلًا خَارِجًا صَدْرُهُ مِنَ الصَّفِّ، فَلَقَدْ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَتُقِيمُنَّ صُفُوفَكُمْ أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللَّهُ بَيْنَ وُجُوهِكُمْ»---[حكم الألباني] حسن صحيح
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাতার সোজা করতেন যেমন তীর সোজা করা হয়। একদিন তিনি দেখলেন এক ব্যক্তির বুক কাতারের বাইরে গেছে, তখন আমি নবী (ﷺ)-কে দেখলাম তিনি বলছেন, তোমরা তোমাদের কাতার সোজা কর, তা না হলে আল্লাহ তা'আলা তোমাদের মুখমণ্ডল পরিবর্তন করে দিবেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৮১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নামাজের কাতার সোজা রাখার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কাতার এমনভাবে ঠিক করতেন, যেমন তীর সোজা করা হয়। একদিন তিনি দেখেন, একজনের বুক কাতারের রেখা থেকে বাইরে বেরিয়ে আছে। তখন তিনি মুসল্লিদের কাতার সোজা করার নির্দেশ দেন এবং বলেন, তা না করলে আল্লাহ তাদের মুখমণ্ডলের মধ্যে পরিবর্তন বা অমিল সৃষ্টি করবেন। বর্ণনার মূল শব্দচিত্র খুব স্পষ্ট: কাতার শুধু আনুমানিকভাবে নয়, একটি সোজা রেখার মতো সাজানো হচ্ছিল। “নামাজের কাতার সোজা করা” তাই এই হাদিসের প্রধান বিষয়। সতর্কতাটি হাদিসে যেভাবে এসেছে, সেভাবেই ভারসাম্য রেখে বলা উচিত; এর সঙ্গে নিজের পক্ষ থেকে নতুন শাস্তি বা অতিরিক্ত দাবি যোগ করা ঠিক হবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তীরের মতো কাতার সোজা করতেন।
- এক ব্যক্তির বুক কাতারের বাইরে বেরিয়ে থাকা তিনি লক্ষ্য করেন।
- মুসল্লিদের কাতার ঠিক করার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়।
- কাতার সোজা না করলে কঠোর পরিণতির সতর্কতা এসেছে।
