১১/২৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯১১ - সালাতে ফাতিহা ও অতিরিক্ত কিরাআত
সলাতে সূরাহ্ ফাতিহাহ্ পাঠ করা ওয়াজিব
সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ার স্পষ্ট নির্দেশ
সুনানে আন-নাসায়ী : ৯১১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৯১১
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَحْمُودِ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا صَلَاةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَصَاعِدًا»
'উবাদাহ্ ইবনুস্ সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি সালাতে সূরা ফাতিহাও-এর পর বেশি (অন্য সূরা) পড়ল না, তার সালাত হয়নি।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯১১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি সালাতে ফাতিহাতুল কিতাব পড়েনি, তার সালাত হয়নি। আরবি বর্ণনায় সূরা ফাতিহার পর আরও কিরাআতের ইঙ্গিতবাহী শব্দও রয়েছে। তবে বাংলা অনুবাদে মূল বক্তব্য হিসেবে ফাতিহা না পড়লে সালাত না হওয়ার কথাই তুলে ধরা হয়েছে। হাদিসটি সালাতের কিরাআতে সূরা ফাতিহার কেন্দ্রীয় অবস্থান প্রকাশ করে। এখানে ইমাম, একাকী মুসল্লি বা মুকতাদির আলাদা অবস্থা বিস্তারিতভাবে বলা হয়নি। ফলে বিভিন্ন অবস্থার বিস্তৃত সিদ্ধান্ত এই ছোট বর্ণনায় যোগ না করে, এর পরিষ্কার শিক্ষাই সামনে রাখা উচিত। প্রতিদিনের সালাতে সূরা ফাতিহা মনোযোগ দিয়ে শেখা ও সঠিকভাবে পাঠ করার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে এই হাদিস বিশেষভাবে সহায়ক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
- হাদিসে উল্লেখ না থাকা আলাদা পরিস্থিতি নিজের থেকে যোগ করা উচিত নয়।
- সূরা ফাতিহা শেখা ও মনোযোগ দিয়ে পাঠ করার যত্ন নেওয়া দরকার।
