১১/৩৬. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯৩২ - আমীন, রাফউল ইয়াদাইন ও বরকতময় হামদ

মুক্তাদীর ইমামের পেছনে হাঁচি দিয়ে ‘আলহাম্দু লিল্লা-হ’ বলা

সালাতে বরকতময় হামদ ও বারোজন ফেরেশতার ঘটনা

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৯৩২

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَخْلَدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا كَبَّرَ رَفَعَ يَدَيْهِ أَسْفَلَ مِنْ أُذُنَيْهِ، فَلَمَّا قَرَأَ {غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ} [الفاتحة: 7] قَالَ: «آمِينَ». فَسَمِعْتُهُ وَأَنَا خَلْفَهُ قَالَ: فَسَمِعَ رَسُولِ اللَّهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلًا يَقُولُ: الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ، فَلَمَّا سَلَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ صَلَاتِهِ قَالَ: «مِنْ صَاحِبُ الْكَلِمَةِ فِي الصَّلَاةِ؟» فَقَالَ الرَّجُلُ: أَنَا يَا رَسُولُ اللَّهِ، وَمَا أَرَدْتُ بِهَا بَأْسًا. قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَقَدْ ابْتَدَرَهَا اثْنَا عَشَرَ مَلَكًا، فَمَا نَهْنَهَهَا شَيْءٌ دُونَ الْعَرْشِ»---[حكم الألباني] صحيح لغيره دون قوله فما نهنهها

ওয়ায়িল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

'আবদুল জাব্বার ইবনু ওয়ায়িল (রহঃ) সূত্রে তাঁর পিতা ওয়ায়িল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পিছনে সালাত আদায় করেছি। যখন তিনি তাকবির বললেন, তাঁর কর্ণদ্বয়ের নিম্ন পর্যন্ত দু'হাত তুললেন যখন তিনি "গয়রিল মাগবি 'আলায়হিম ওয়ালায় যো-ল্লীন” বললেন, তখন 'আ-মীন' বললেন। রাবী বলেন, আমি তাঁর পিছনে থেকে তা শ্রবণ করলাম।তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শুনলেন, এক ব্যক্তি বলছে- "আলহাম্দু লিল্লা-হি হামদান কাসীরন ত্বইয়িবাম্ মুবা-রকান ফীহি।” যখন নবী (ﷺ) সালাম ফিরালেন তখন বললেন, সালাতে বাক্যটি কে বলেছে? তখন ঐ ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি বলেছি। আর আমি এ দ্বারা খারাপ কিছু ইচ্ছা করিনি। নবী (ﷺ) বললেন, বারোজন মালাক তা তাড়াতাড়ি 'আরশে তুলে নিয়ে গেল এবং তাতে কোন বাধা সৃষ্টি হয়নি।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯৩২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সালাতের কয়েকটি দৃশ্য একসঙ্গে এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) তাকবিরের সময় দুই হাত কানের নিচ পর্যন্ত তুলেছেন। সূরা ফাতিহার শেষ অংশ পড়ার পর তিনি ‘আমীন’ বলেছেন, যা পেছনের সাহাবি শুনেছেন। এরপর এক ব্যক্তি ‘আলহামদু লিল্লাহি হামদান কাসীরান তইয়িবান মুবারাকান ফীহি’ বলেন। সালাম শেষে নবী (صلى الله عليه وسلم) জানতে চান, কথাটি কে বলেছে। লোকটি জানায়, সে খারাপ উদ্দেশ্যে বলেনি। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, বারোজন ফেরেশতা বাক্যটি দ্রুত তুলে নিয়েছে। বর্ণনার শেষের ‘কোনো বাধা হয়নি’ অংশ সম্পর্কে আলবানির মন্তব্যে ব্যতিক্রম আছে। তাই ব্যাখ্যায় নিশ্চিত অংশ ও মন্তব্যযুক্ত অংশ আলাদা রাখা ভালো। মূল শিক্ষা হলো আমীন, হামদ এবং সৎ উদ্দেশ্যের গুরুত্ব। হাদিসে থাকা প্রতিটি অংশকে তার নিজস্ব সীমার মধ্যে বুঝলেই বক্তব্য পরিষ্কার থাকে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমীন পেছন থেকে শোনা গিয়েছিল।
  • এক ব্যক্তির বরকতময় হামদের বাক্য প্রশংসিত হয়েছে।
  • লোকটি স্পষ্ট করেছে যে তার উদ্দেশ্য খারাপ ছিল না।
  • বারোজন ফেরেশতার বাক্যটি দ্রুত তুলে নেওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন