৯/২১১. অধ্যায়ঃ
শুকরিয়ার সিজদার বিবরণ
দৃশ্যত: কোন মঙ্গল লাভ হলে বা বাহ্যত: কোন বিপদ-আপদ কেটে গেলে শুকরানা সিজদাহ (কৃতজ্ঞতামূলক সেজদা) করা মুস্তাহাব।
রিয়াদুস সলেহিন : ১/১১৬৬
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ১/১১৬৬
عَنْ سَعْدِ بنِ أَبي وَقَّاصٍ رضي الله عنه، قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم مِن مَكَّةَ نُرِيدُ المَدِينَةَ، فَلَمَّا كُنَّا قَرِيْبًا مِن عَزْوَرَاءَ نَزَلَ ثُمَّ رَفَعَ يَدَيْهِ، فَدَعَا اللَّه سَاعَةً، ثُمَّ خَرَّ سَاجِدًا، فَمَكَثَ طَوِيْلاً، ثُمَّ قَامَ فَرَفَعَ يَدَيْهِ، سَاعَةً، ثُمَّ خَرَّ سَاجِدًا ¬ فَعَلَهُ ثَلَاثاً ¬ وَقَالَ:«إِنِّيْ سَأَلْتُ رَبِّي، وَشَفَعْتُ لِأُمَّتِي، فَأَعْطَانِيْ ثُلُثَ أُمَّتِيْ، فَخَرَرْتُ سَاجِدًا لِرَبِّي شُكْرًا، ثُمَّ رَفَعْتُ رَأْسِيْ، فَسَأَلْتُ رَبِّيْ لِأُمَّتِيْ، فَأَعْطَانِيْ ثُلُثَ أُمَّتِيْ، فَخَرَرْتُ سَاجِداً لِرَبِّيْ شُكْراً، ثُمَّ رَفَعْتُ رَأسِيْ فَسَألْتُ رَبِّيْ لِأُمَّتِيْ، فَأَعْطَانِيْ الثُّلُثَ الآخَرَ، فَخَرَرْتُ سَاجِدًا لِرَبِّي» رواه أبو داود .ضعيف ( . ] فيه : موسى بن يعقوب الزمعي ، وهو سيء الحفظ ، وشيخه يحيى بن الحسن بن عثمان ،وهو مجهول [ .
সাদ ইবনু আবী ওয়ক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে আমরা মক্কা থেকে মদিনার পানে রওয়ানা দিলাম। আমরা যখন ’আযওয়ারা নামক স্থানের নিকটবর্তী হলাম, তিনি সওয়ারী থেকে নেমে পড়লেন এবং তাঁর দুই হাত তুলে কিছুক্ষণ দো’আ করলেন, তারপর সেজদা করলেন, দীর্ঘ সময় সেজদায় থাকলেন, তারপর উঠলেন এবং আবার দুই হাত তুলে কিছু সময় দো’আ করলেন, তারপর আবার সেজদায় নত হলেন।তিনি তিনবার এমন করলেন এবং বললেন: আমি আমার প্রভুর নিকট আবেদন করেছিলাম এবং আমার উম্মতের জন্য সুপারিশ করেছিলাম। আল্লাহ আমাকে আমার এক-তৃতীয়াংশ উম্মত (জান্নাতে) দিয়েছেন। আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের জন্য আমি সেজদা করলাম। তারপর আমি মাথা উঠিয়ে আমার উম্মতের জন্য আমার প্রভুর কাছে আবেদন করলাম। তিনি আমাকে আমার আরও এক-তৃতীয়াংশ উম্মত (জান্নাতে) দিলেন। এজন্যও আমি কৃতজ্ঞতার সেজদা করলাম। তারপর মাথা তুলে আমার উম্মতের জন্য আবেদন করলাম। তিনি আমাকে আরও এক-তৃতীয়াংশ উম্মত (জান্নাতে) দিলেন। এজন্যও আমি কৃতজ্ঞতার সেজদা করলাম।[১](অবশ্য শুকরানার সিজদাহ অন্য হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। মহানবী (ﷺ)-কে কোন সুসংবাদ দেওয়া হলে তিনি সিজদাহ করতেন।) (ইবনে মাজাহ ১১৪১নং)
আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটির সনদ দুর্বল যেমনটি আমি “ইরওয়াউল গালীল” গ্রন্থে (নং ৪৬৭) এবং “য‘ঈফা” গ্রন্থে নং (৩২২৯/৩২৩০) আলোচনা করেছি। এর এক বর্ণনাকারী ইয়াহ্ইয়া ইবনুল হাসান সম্পর্কে হাফিয যাহাবী বলেনঃ তিনি মাদানী তার অবস্থা সম্পর্কে জানা যায় না। তার থেকে মূসা ইবনু ইয়াকূব বর্ণনা করেছেন। এর সম্পর্কে হাফিয ইবনু হাজার বলেনঃ তিনি মাজহূলুল হাল। প্রকৃতপক্ষে আস‘আস ইবনু ইসহাক মাজহূলুল হাল আর মূসা ইবনু ইয়াকূব হচ্ছেন মাজহূলুল আইন। (বিস্তারিত দেখুন “য‘ঈফা” গ্রন্থের উক্ত নম্বরে)। আবূ দাউদ ২৭৭৫।
