৯/২২১. অধ্যায়ঃ
সেহরি খাওয়ার ফযীলত। যদি ফজর উদয়ের আশংকা না থাকে, তাহলে তা বিলম্ব করে খাওয়া উত্তম
রিয়াদুস সলেহিন : ২/১২৩৮
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ২/১২৩৮
وَعَنْ زَيدِ بنِ ثَابِتٍ رضي الله عنه، قَالَ: تَسَحَّرْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ قُمْنَا إِلَى الصَّلاَةِ . قِيلَ: كَمْ كَانَ بَينَهُمَا ؟ قَالَ: قَدْرُ خَمْسِينَ آيةً . متفقٌ عَلَيْهِ
যায়েদ ইবনে সাবেত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ’আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে সেহরি খেয়েছি, অতঃপর নামাযে দাঁড়িয়েছি।’ তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, ’ওই দুয়ের (নামায ও সেহরির) মাঝখানে ব্যবধান কতক্ষণ ছিল?’ তিনি বললেন, ’(প্রায়) পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মত সময়।’ (বুখারী ও মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ৫৭৫, ১৯২১, মুসলিম ১০৯৭, তিরমিযী ৭০৩, নাসায়ী ২১৫৫, ২১৫৬, ইবনু মাজাহ ১৬৯৪, আহমাদ ২১০৭৫, ২১১০৬, ২১১২৮, ২১১৬৩, দারেমী ১৬৯৫
