৯/২২১. অধ্যায়ঃ

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১২৩৯ - সেহরির শেষ সময়

সেহরি খাওয়ার ফযীলত। যদি ফজর উদয়ের আশংকা না থাকে, তাহলে তা বিলম্ব করে খাওয়া উত্তম

বিলাল ও ইবনে উম্মে মাকতূমের আযান: সেহরির সময় বোঝার শিক্ষা

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/১২৩৯

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: كَانَ لِرَسُولِ اللهِ ﷺ مُؤَذِّنَانِ: بِلاَلٌ وَابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ: «إِنَّ بِلاَلاً يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ، فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ». قَالَ: وَلَمْ يَكُنْ بَيْنَهُمَا إِلاَّ أَنْ يَنْزِلَ هَذَا وَيَرْقَى هَذَا. متفقٌ عَلَيْهِ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দুজন মুয়াজ্জিন ছিলেন; বিলাল ও ইবনে উম্মে মাকতূম। একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “বিলাল যখন রাতে আজান দেবে, তখন তোমরা পানাহার (সেহরি ভক্ষণ) কর; যতক্ষণ পর্যন্ত না ইবনে উম্মে মাকতূম আজান দেবে।” (ইবনে উমর) বলেন, ’আর তাঁদের উভয়ের আজানের মাঝে এতটুকু ব্যবধান ছিল যে, উনি নামতেন, আর ইনি চড়তেন।’ (বুখারী ও মুসলিম)[১]

সহীহুল বুখারী ৬১৭, ৬২৩, ১৯১৯, ২৬৫৬, ৭২৪৮, মুসলিম ১০৯২, তিরমিযী ২০৩, নাসায়ী ৬৩৭, ৬৩৮, আহমাদ ৪৫৩৭, ৫১৭৩, ৫২৬৩, ৬২৯৪, ৫৪০১, ৫৪৭৪, ৫৬৫৩, ৫৮১৮, ৬০১৪, ইবনু মাজাহ ১৬৩, ১৬৪, দারেমী ১১৯০

অনুবাদের উৎস

সংকলক:
মুহিউদ্দীন আবূ যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া বিন শারফ আন্‌-নাবাবী (রহ.)
প্রকাশক:
তাওহীদ পাবলিকেশন্স
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১২৩৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর দু’জন মুয়াজ্জিন ছিলেন: বিলাল (রাঃ) ও ইবনে উম্মে মাকতূম (রাঃ)। নবী صلى الله عليه وسلم বললেন, বিলাল রাতে আযান দিলে তোমরা পানাহার কর, যতক্ষণ না ইবনে উম্মে মাকতূম আযান দেয়। অর্থাৎ প্রথম আযান সেহরি বন্ধের আযান ছিল না; দ্বিতীয় আযান ফজরের সময়ের সঙ্গে জড়িত ছিল। হাদিসে আরও এসেছে, দুই আযানের মাঝের ব্যবধান খুব কম ছিল। এই হাদিস সেহরির শেষ সময় বোঝাতে সাহায্য করে এবং দেখায় যে ইবাদতের সময় নির্ধারণে নবী صلى الله عليه وسلم কত পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আযানের ধরন ও সময় বুঝে সেহরি করা দরকার, যেন ফজরের সীমা অতিক্রম না হয়। এই শিক্ষা সেহরি ও ফজরের সময়কে গুলিয়ে না ফেলতে সাহায্য করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বিলাল (রাঃ)-এর রাতের আযানের পরও সেহরি খাওয়ার অনুমতি ছিল।
  • ইবনে উম্মে মাকতূম (রাঃ)-এর আযান পর্যন্ত পানাহারের কথা বলা হয়েছে।
  • দুই আযানের ব্যবধান খুব কম ছিল।
  • সেহরির সময় বুঝতে নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ মানা জরুরি।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন