১৮/২৫৭. অধ্যায়ঃ
চুগলী (চুগলখুরী) করা হারাম
মানুষের মাঝে ফ্যাসাদ ও শত্রুতা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে বলা কথা লাগিয়ে দেওয়াকে ’চুগলি করা’ বলে।মহান আল্লাহ বলেন,﴿هَمَّازٍ مَشَّاءٍ بِنَمِيمٍ﴾[القلم: ١١]অর্থাৎ [অনুসরণ করো না তার যে --- পশ্চাতে নিন্দাকারী, যে একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে বেড়ায়।(সূরা নূন ১১ আয়াত)﴿ مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ﴾ [ق: ١٨]অর্থাৎ মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে [তা লিপিবদ্ধ করার জন্য] তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে।(সূরা ক্বা-ফ ১৮ আয়াত)
রিয়াদুস সলেহিন : ২/১৫৪৫
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ২/১৫৪৫
وعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مرَّ بِقَبْرَيْنِ فَقَالَ: «إِنَّهُمَا يُعَذَّبَانِ، وَمَا يُعَذَّبَانِ فِي كَبيرٍ ! بَلَى إِنَّهُ كَبِيرٌ : أَمَّا أَحَدُهُمَا، فَكَانَ يَمْشِي بِالنَّمِيمَةِ، وَأَمَّا الآخَرُ فَكَانَ لاَ يَسْتَتِرُ مِنْ بَوْلِهِ» . متفق عَلَيْهِ . وهذا لفظ إحدى روايات البخاري
ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুটো কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় বললেন, ’’ঐ দুই কবর-বাসীর আযাব হচ্ছে। অবশ্য ওদেরকে কোন বড় ধরনের অপরাধ [বা কোন কঠিন কাজের] জন্য আযাব দেওয়া হচ্ছে না।’’ [তারপর বললেন,] ’’হ্যাঁ, অপরাধ তো বড়ই ছিল। ওদের একজন [লোকের] চুগলী করে বেড়াত। আর অপরজন পেশাবের ছিটা থেকে বাঁচত না।’’(বুখারী)[১]’ওদেরকে কোন বড় ধরনের অপরাধের জন্য আযাব দেওয়া হচ্ছে না’-এর ব্যাখ্যায় উলামাগণ বলেন, এর মানে তাদের দু’জনের ধারণা অনুপাতে তা বড় অপরাধ ছিল না। কারো মতে, এমন অপরাধ ছিল না, যা ত্যাগ করা তাদের জন্য খুব কঠিন ছিল।
সহীহুল বুখারী ২১৬, ২১৮, ১৩৬১, ১৩৭৮, ৬০৫২, ৬০৫৫, মুসলিম ২৯২, তিরমিযী ৭০, নাসায়ী ৩১, ২০৬৮, আবূ দাউদ ২০, ইবনু মাজাহ ৩৪৭, আহমাদ ১৯৮১, দারেমী ৭৩৯
