১৮/২৮২. অধ্যায়ঃ
দাস-দাসী, পশু, নিজ স্ত্রী অথবা ছেলেমেয়েকে শরয়ী কারণ ছাড়া আদব দেওয়ার জন্য যতটুকু জরুরী তার থেকে বেশি শাস্তি দেওয়া নিষেধ
মহান আল্লাহ বলেন,﴿ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا وَبِذِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينِ وَالْجَارِ ذِي الْقُرْبَىٰ وَالْجَارِ الْجُنُبِ وَالصَّاحِبِ بِالْجَنْبِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَمَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ مَنْ كَانَ مُخْتَالًا فَخُورًا﴾ [النساء : ٣٦]অর্থাৎ পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, পিতৃহীন, অভাবগ্রস্ত, আত্মীয় ও অনাত্মীয় প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথী, পথচারী এবং তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার কর। নিশ্চয় আল্লাহ আত্মম্ভরি দাম্ভিককে ভালবাসেন না।(সূরা নিসা ৩৬ আয়াত)
রিয়াদুস সলেহিন : ৩/১৬১০
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৩/১৬১০
وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: نَهَى رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ تُصْبَرَ البَهَائِمُ . متفق عَلَيْهِ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জীব-জন্তুদের বেঁধে রেখে [তীর বা বন্দুকের নিশানা ঠিক করার ইচ্ছায়] হত্যা করতে নিষেধ করেছেন।’(বুখারী ও মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ৫৫১৩, মুসলিম ১৯৫৬, নাসায়ী ৪৪৩৯, আবূ দাউদ ২৮১৬,ইবনু মাজাহ ৩১৮৬, আহমাদ ১১৭৫১, ১২৩৩৫, ১২৪৫১, ১২৫৭০
