১৮/২৮২. অধ্যায়ঃ
দাস-দাসী, পশু, নিজ স্ত্রী অথবা ছেলেমেয়েকে শরয়ী কারণ ছাড়া আদব দেওয়ার জন্য যতটুকু জরুরী তার থেকে বেশি শাস্তি দেওয়া নিষেধ
মহান আল্লাহ বলেন,﴿ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا وَبِذِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينِ وَالْجَارِ ذِي الْقُرْبَىٰ وَالْجَارِ الْجُنُبِ وَالصَّاحِبِ بِالْجَنْبِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَمَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ مَنْ كَانَ مُخْتَالًا فَخُورًا﴾ [النساء : ٣٦]অর্থাৎ পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, পিতৃহীন, অভাবগ্রস্ত, আত্মীয় ও অনাত্মীয় প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথী, পথচারী এবং তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার কর। নিশ্চয় আল্লাহ আত্মম্ভরি দাম্ভিককে ভালবাসেন না।(সূরা নিসা ৩৬ আয়াত)
রিয়াদুস সলেহিন : ২/১৬০৯
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ২/১৬০৯
وَعَنْهُ : أَنَّهُ مَرَّ بِفِتْيَانٍ مِنْ قُرَيْشٍ قَدْ نَصَبُوا طَيراً وَهُمْ يَرْمُونَهُ، وَقَدْ جَعَلُوا لِصَاحِبِ الطَّيْرِ كُلَّ خَاطِئَةٍ مِنْ نَبْلِهمْ، فَلَمَّا رَأَوْا ابْنَ عُمَرَ تَفَرَّقُوا، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ : مَنْ فَعَلَ هَذَا ؟ لَعَنَ اللهُ مَنْ فَعَلَ هَذَا، إِنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم لَعَنَ مَنِ اتَّخَذَ شَيْئاً فِيهِ الرُّوحُ غَرَضاً . متفق عَلَيْهِ
উক্ত রাবী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি একবার কুরাইশ বংশের কতিপয় নব যুবকের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় লক্ষ্য করলেন যে, তারা একটি পাখীকে বেঁধে [হাতের নিশানা ঠিক করার মানসে তার উপর নির্দয়-ভাবে] তীর মারছে। তারা পাখীর মালিকের সাথে এই চুক্তি করেছিল যে, প্রতিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট তীর তার হয়ে যাবে। সুতরাং যখন তারা ইবনে উমার (রাঃ)-কে দেখতে পেল, তখন ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে গেল। ইবনে উমার (রাঃ) বললেন, ’এ কাজ কে করেছে? যে এ কাজ করেছে তার উপর আল্লাহর অভিশাপ। নিঃসন্দেহে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেই ব্যক্তির উপর অভিশাপ করেছেন, যে কোন এমন জিনিসকে [তার তীর-খেলার] লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে, যার মধ্যে প্রাণ আছে।’(বুখারী ও মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ৫৫১৪, ৫৫১৫, মুসলিম ১৯০৮, নাসায়ী ৪৪৪১, ৪৪৪২, আহমাদ ৪৬০৮, ৪৯৯৮, ৫২২৫, ৫৫৬২, ৫৬৪৯, ৫৭৬৭, ৬২২৩, দারেমী ১৯৭৩
