১৮/২৮৭. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১৬২৩ - নিষিদ্ধ বিষয়াবলী
সুদ খাওয়া সাংঘাতিক হারাম কাজ
আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبَا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبَا ۗ وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا ۚ فَمَنْ جَاءَهُ مَوْعِظَةٌ مِنْ رَبِّهِ فَانْتَهَىٰ فَلَهُ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُ إِلَى اللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولَٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ - يَمْحَقُ اللَّهُ الرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِالى قوله تعالىيَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَا’‘যারা সুদ খায় তারা [কিয়ামতে] সেই ব্যক্তির মত দণ্ডায়মান হবে, যাকে শয়তান স্পর্শ দ্বারা পাগল করে দিয়েছে। তা এ জন্য যে তারা বলে, ‘ব্যবসা তো সূদের মতই।’ অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে বৈধ ও সুদকে অবৈধ করেছেন। অতএব যার কাছে তার প্রতিপালকের উপদেশ এসেছে তারপর সে [সুদ খাওয়া থেকে] বিরত হয়েছে, সুতরাং [নিষিদ্ধ হওয়ার পূর্বে] যা অতীত হয়েছে তা তার [জন্য ক্ষমার্হ হবে], আর তার ব্যাপার আল্লাহর এখতিয়ার-ভুক্ত। কিন্তু যারা পুনরায় [সুদ খেতে] আরম্ভ করবে, তারাই দোযখ-বাসী; সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বৃদ্ধি দেন। আল্লাহ কোন অকৃতজ্ঞ পাপিষ্ঠকে ভালবাসেন না। ....হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সূদের যা বকেয়া আছে তা বর্জন কর; যদি তোমরা ঈমানদার হও। আর যদি তোমরা [সুদ বর্জন] না কর, তাহলে আল্লাহ ও তার রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধ সুনিশ্চিত জানো। কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই। তোমরা কারো উপর অত্যাচার করবে না এবং নিজেরাও অত্যাচারিত হবে না।’’(সূরা বাকারাহ ২৭৫-২৭৯ আয়াত)এ বিষয়ে সহীহ গ্রন্থে প্রসিদ্ধ অনেক হাদিস বিদ্যমান। তার মধ্যে পূর্বোক্ত পরিচ্ছেদে আবূ হুরাইরা কর্তৃক বর্ণিত [১৬২১নং] হাদিসটি অন্যতম।
রিয়াদুস সালেহীন : ১/১৬২৩
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/১৬২৩
وَعَنِ ابنِ مَسعُود رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: لَعَنَ رَسُول اللهِ ﷺ آكِلَ الرِّبَا وَمُوكِلَهُ. رَوَاهُ مُسلِمٌزَادَ التِّرمِذِي وَغَيرُهُ: وَشَاهِدَيْهِ وَكَاتِبَهُ
ইবনে মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সুদখোর ও সুদদাতাকে অভিশাপ করেছেন।’(মুসলিম)[১] তিরমিযী ও অন্যান্য গ্রন্থকারগণ এ শব্দগুলি বর্ধিত আকারে বর্ণিত করেছেন, ’এবং সুদের সাক্ষীদ্বয় ও সুদের লেনদেন লেখককে [অভিশাপ করেছেন।]’
মুসলিম ১৫৯৭, তিরমিযী ১২০৬, নাসায়ী ৩৪১৬, আবূ দাউদ ৩৩৩৩, ইবনু মাজাহ ২২৭৭, আহমাদ ৩৭১৭, ৩৭২৯, ৩৭৯৯, ৩৮৭১, ৪০৭৯, ৪২৭১, ৪৩১৫, ৪৪১৪, দারেমী ২৫৩৫
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুহিউদ্দীন আবূ যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া বিন শারফ আন্-নাবাবী (রহ.)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
