১৮/৩৪৫. অধ্যায়ঃ

রোযার জন্য জুমার দিন এবং নামাযের জন্য জুমার রাত নির্দিষ্ট করা মাকরূহ

রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৪/১৭৭২

وَعَنْ أُمِّ المُؤْمِنِينَ جُوَيرِيَّةَ بِنْتِ الحَارِثِ رَضِيَ اللهُ عَنهَا : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَيْهَا يَوْمَ الجُمُعَةِ وهِيَ صَائِمَةٌ، فَقَالَ: «أَصُمْتِ أمْسِ ؟ قَالَتْ : لاَ، قَالَ: تُرِيدِينَ أَنْ تَصُومِي غَداً ؟ قَالَتْ : لاَ . قَالَ: «فَأَفْطِرِي» . رواه البخاري

মু’মিন জননী জুয়াইরিয়্যাহ বিন্তে হারেষ রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) জুমার দিনে তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন, তখন তিনি [জুয়াইরিয়াহ] রোযা অবস্থায় ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে প্রশ্ন করলেন, ’’তুমি কি গতকাল রোযা রেখেছিলে?’’ তিনি বললেন, ’না।’ [নবী (ﷺ)] বললেন, ’’আগামীকাল রোযা রাখার ইচ্ছা আছে তো?’’ তিনি জবাব দিলেন, ’না।’ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ’’তাহলে রোযা ভেঙ্গে ফেল।’’(বুখারী)[১]

সহীহুল বুখারী ১৯৮৬, আবূ দাউদ ২৪২২, আহমাদ ৬৭৩২, ২৬২১৫

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন