১৮/৩৪৬. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১৭৭৩ - বিনা পানাহারে লাগাতার রোজা নিষেধ
সওমে বিসাল, অর্থাৎ একাদিক্রমে দুই বা ততোধিক দিন ধরে বিনা পানাহারে রোযা রাখা হারাম
সাওমে বিসাল নিষেধ: রোজায় ভারসাম্যের শিক্ষা
রিয়াদুস সালেহীন : ১/১৭৭৩
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/১৭৭৩
عَنْ أَبي هُرَيرَةَ وَعَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا : أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ نَهَى عَنِ الوِصَالِ. متفق عَلَيْهِ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) ও আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) সাওমে বিসাল তথা বিনা পানাহারে কয়েকটি রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন।(বুখারী ও মুসলিম)
সহীহুল বুখারী ১৯৬৪, ১৯৬৫, মুসলিম ১১০৫, আহমাদ ২৪০৬৫, ২৪১০৩, ২৪৪২৪, ২৫৫২৩, ২৫৬৭৯
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুহিউদ্দীন আবূ যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া বিন শারফ আন্-নাবাবী (রহ.)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১৭৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাওমে বিসাল সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্পষ্ট নিষেধ এসেছে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) ও আয়েশা (রাঃ)-এর বর্ণনায় বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) সাওমে বিসাল, অর্থাৎ বিনা পানাহারে কয়েকটি রোজা লাগাতার রাখতে নিষেধ করেছেন। রোজা ইবাদত, কিন্তু ইবাদতের মধ্যেও নবীজির নির্দেশিত সীমা আছে। এখানে নিজের উপর এমন কষ্ট চাপানোর পথ বন্ধ করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য ভারী হতে পারে। তাই হাদিসটি রোজায় সংযম, শরীরের হক এবং রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর অনুসরণের শিক্ষা দেয়। ভালো কাজও নবীজির দেখানো পদ্ধতিতে করাই মুসলিমের নিরাপদ পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাওমে বিসাল করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- রোজা ইবাদত হলেও নবীজির নির্ধারিত সীমা মানতে হবে।
- নিজের উপর অতিরিক্ত কষ্ট চাপানো দ্বীনের উদ্দেশ্য নয়।
- ভালো কাজও সঠিক পদ্ধতিতে করা দরকার।
