১/২২. অধ্যায়ঃ
হিতাকাঙ্ক্ষিতার গুরুত্ব
আল্লাহ তা’আলা বলেন,﴿ إِنَّمَا ٱلۡمُؤۡمِنُونَ إِخۡوَةٞ ﴾ [الحجرات: ١٠]অর্থাৎ “সকল ঈমানদাররা তো পরস্পর ভাই ভাই।” (সূরা হুজরাত ১০ আয়াত)তিনি নূহ আলাইহিস সালাম-এর কথা উল্লেখ করে বলেছেন,﴿ وَأَنصَحُ لَكُمۡ ﴾ [الاعراف: ٦٢]অর্থাৎ “(নূহ বলল,) আমি তোমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছি (বা হিতকামনা করছি)।” (সূরা আ’রাফ ৬২ আয়াত)তিনি হূদ আলাইহিস সালাম-এর কথা উল্লেখ করে বলেছেন,﴿ وَأَنَا۠ لَكُمۡ نَاصِحٌ أَمِينٌ ﴾ [الاعراف: ٦٨]অর্থাৎ “(হূদ বলল,) আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত উপদেষ্টা (বা হিতাকাঙ্ক্ষী)।” (সূরা আ’রাফ ৬৮ আয়াত)হাদীসসমূহ:-
রিয়াদুস সলেহিন : ১/১৮৬
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ১/১৮৬
عَنْ أَبِي رُقَيَّةَ تَمِيمِ بنِ أوسٍ الدَّارِيِّ رضي الله عنه : أَنَّ النَّبيّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ : «الدِّينُ النَّصِيحةُ» قُلنَا : لِمَنْ ؟ قَالَ: «لِلهِ وَلِكِتَابِهِ وَلِرَسُولِهِ وَلأئِمَّةِ المُسْلِمِينَ وَعَامَّتِهِمْ». رواه مسلم
আবূ রুক্বাইয়াহ তামীম ইবনু আওস আদ-দারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ রুক্বাইয়াহ তামীম ইবনু আওস আদ-দারী (রাঃ) নবী (ﷺ) বলেন, ’’দ্বীন হল কল্যাণ কামনা করার নাম।’’ আমরা বললাম, ’কার জন্য?’ তিনি বললেন, ’’আল্লাহর জন্য, তাঁর কিতাবের জন্য, তাঁর রাসূলের জন্য, মুসলিমদের শাসকদের জন্য এবং মুসলিম জনসাধারণের জন্য।[১]
মুসলিম ৫৫, নাসায়ী ৪১৯৭, ৪১৯৮, আবূ দাউদ ৪৯৪৪, আহমাদ ১৬৪৯৩
