১৯/৩৭০. অধ্যায়ঃ
দাজ্জাল ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী সম্পর্কে
রিয়াদুস সলেহিন : ৫১/১৮৬৭
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৫১/১৮৬৭
وَعَنْها رَضِيَ اللهُ عَنْهَا، عن النبيِّ، قَالَ: «مَنْ مَاتَ وَعَلَيْهِ صَومٌ، صَامَ عَنْهُ وَلِيُّهُ». متفق عَلَيْهِوَالمُخْتَارُ جَوَازُ الصَّوْمِ عَمَّنْ مَاتَ وَعَلَيْهِ صَوْمٌ لِهَذَا الْحَدِيثِ ، والمُرَادُ بالْوَليِّ : الْقَرِيبُ وَارِثاً آَانَ أوْ غَيْرِوَارِثٍ .
উক্ত রাবী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, ’’কোন ব্যক্তি যদি মারা যায়, আর তার [মানত] রোযা বাকি থাকে, তাহলে তার অভিভাবক তার পক্ষ থেকে [ঐ মানতের] রোযা পূরণ করবে।’’(বুখারী-মুসলিম)[১]সঠিক অভিমত এই যে, এই হাদিসের ভিত্তিতে যে রোযা পালন না করে মারা গেছে, তার পক্ষ থেকে রোযা রাখা জায়েয। আর অভিভাবক বলতে উদ্দেশ্য, নিকটাত্মীয়; সে ওয়ারেস হোক অথবা না হোক।[[ইবনে আব্বাস বলেন, ’যদি কোন লোক রমাযানে ব্যাধিগ্রস্ত হয়, অতঃপর সে মারা যায় এবং রোযা [কাযা করার সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও] রোযা না রেখে থাকে, তাহলে তার তরফ থেকে মিসকীন খাইয়ে দিতে হবে; তার জন্য রোযা কাযা নেই। কিন্তু যদি সে নযরের রোযা না রেখে মারা যায়, তাহলে তার অভিভাবক [বা নিকটাত্মীয়] তার তরফ থেকে সেই রোযা কাযা করে দেবে।’]] [সহীহ আবূ দাঊদ ২১০১নং প্রমুখ]
সহীহুল বুখারী ১৯৫২, মুসলিম ১১৪৭, আবূ দাউদ ২৪০০, ৩৩১১, আহমাদ ২৩৮৮০
